স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজার সফরে এসে বিমানবন্দরে অবতরণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে পাশে বসিয়ে গাড়ির স্টিয়ারিং ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এমন স্বতঃস্ফূর্ত ও ব্যতিক্রমী উপস্থিতি বিমানবন্দর এলাকায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
আজ শনিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। কক্সবাজার পৌঁছানোর পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পরে ভিআইপি গেট দিয়ে বের হয়ে নিজেই গাড়ির চালকের আসনে বসেন প্রধানমন্ত্রী। পাশে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এরপর গাড়ি চালিয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর পাতলী খালের উদ্দেশে রওয়ানা দেন তিনি। এ ছাড়া গাড়িতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ।
ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে বিমানবন্দর এলাকায় ভিড় করেন হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। কারও হাতে ছিল ছাতা, আবার কেউ বৃষ্টিতে ভিজেই অপেক্ষা করেছেন প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী প্রমুখ।
পাতলী খাল থেকে আবারও গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পুরো রাস্তা জুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই কক্সবাজার শহরে ছিল উৎসবের আমেজ। বিমানবন্দর সড়ক, হলিডে মোড়, কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট, লিংক রোড ও বাস টার্মিনাল এলাকায় মোতায়েন করা হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয় নিরাপত্তা চেকপোস্ট।
কক্সবাজার সফরে এসে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি চালানোর ঘটনাটি দিনভর আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।






