ফুলবাড়িয়া
নিখোঁজের একদিন পর পুকুরে মিলল পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মরদেহ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় নিখোঁজের একদিন পর আব্দুল কাদের জিলানী (২৫) নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কালাদহ ইউনিয়নের বড়ইপাড়া গ্রামের মসজিদসংলগ্ন তনু হাজির পুকুরের পাকা ঘাটের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার সকালে মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নিহত কাদের জিলানী কালাদহ ইউনিয়নের বিদ্যানন্দ উত্তরপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি গ্রামে ঘুরে ঘুরে শৌচাগার, বাসাবাড়ির মলমূত্র ও আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর কাদের আর বাড়িতে ফেরেননি। বৃহস্পতিবার দুপুরে বড়ইপাড়া মসজিদসংলগ্ন পুকুরঘাটে তার ব্যবহৃত বালতি, কোদাল ও গামছা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হলে স্বজনেরা সেখানে আসেন। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে দুই ব্যক্তি পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ঘাটের নিচে পানিতে কাদেরের মরদেহ পাওয়া যায়।
কালাদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, কাদের শৌচাগারসহ বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ করতেন। বুধবার বিকেলেও তাকে বড়ইপাড়া গ্রামের তনু হাজির পুকুরঘাটে কাজের সরঞ্জাম নিয়ে বসে থাকতে দেখেছিলেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার একই স্থানে তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র পড়ে থাকায় সন্দেহ হয়। পরে পুকুরে খোঁজ করে মরদেহ পাওয়া গেছে।
ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রাশেদুল হাসানের ভাষ্য, কাদের গ্রামে ঘুরে মানুষের টয়লেট পরিষ্কারের কাজ করতেন। পুকুরের ঘাটের নিচে পানি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।






