স্ত্রীর সঙ্গে হাতাহাতি, বুকে রড ঢুকে প্রাণ গেল স্বামীর

সংগৃহীত ছবি
ঢাকার বংশালে টাকা চুরি করে মাদক সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ‘স্বামী-স্ত্রীর’ মধ্যে হাতাহাতির সময় স্বামী সুমন মিয়াকে (৪০) খুনের অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে নাজিমউদ্দীন রোডের জমিদার গলির আনারস মসজিদের পাশের চারতলার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন মিয়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী ছিলেন। তিনি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার নবী মিয়ার ছেলে।
বংশাল থানার ওসি এ কে এম মাহফুজুল হক আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘আমরা হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রয়েছে।’
প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ওসি জানিয়েছেন, সুমনের দুই স্ত্রী। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়। এর একপর্যায়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর হাতে থাকা একটি ধারালো কিছু সুমনের বুকে ঢুকে যায়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
ঘটনার পর দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা আক্তার স্বামী সুমনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। নাসিমা জানিয়েছেন, সোমবার রাতে প্রথম স্ত্রী ডলির বাসা থেকে সুমন তার বাসায় আসেন। পরে বাসা থেকে দেড় হাজার টাকা হারিয়ে যায়। সুমনকে বাথরুমে মাদক সেবন করতেও দেখেন বলে দাবি করেন নাসিমা। এসব বিষয় নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকালে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।
নাসিমার ভাষ্য, ঝগড়ার একপর্যায়ে সুমন তাকে মারধর করেন। হাতাহাতির সময় একটি ধারালো রড নিয়ে টানাহেঁচড়ার মধ্যে সেটি সুমনের বুকে ঢুকে যায়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বললেন, নিহতের বুকের বাম পাশে একটি জখম রয়েছে।




