গৌরনদীতে বাসচাপায় স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান নিহত

সংগৃহীত ছবি
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বরিশালের গৌরনদীতে বাসের ধাক্কায় একটি মোটরসাইকেলের তিন আরোহী— স্বামী, স্ত্রী ও তাদের শিশুসন্তান নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাটাজোর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মহসীন হোসেন।
নিহতরা হলেন উজিরপুর উপজেলার আব্দুল হাকিম হাওলাদারের ছেলে ফিরোজ মাহামুদ, তার স্ত্রী মনিরা বেগম এবং তাদের শিশুসন্তান জান্নাত।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নিহত তিনজনই মোটরসাইকেলের আরোহী ছিলেন। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বাটাজোর এলাকায় আনন্দ পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বাইকে থাকা তিনজনই নিহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তবে দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতা দুর্ঘটনাকবলিত তাজ আনন্দ গ্রুপের তাজ পরিবহনের বাসে ভাঙচুর চালায়। তবে এর আগেই বাসটির চালক ও হেলপার পালিয়ে যান।
অন্যদিকে দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রায় দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘মোটরসাইকেলে করে স্ত্রী মনিরা বেগম ও শিশু কন্যা জান্নাতকে নিয়ে উজিরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন ফিরোজ মাহমুদ। পথে যানজটের কারণে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মোটরসাইকেলটি থামিয়ে রাখা হয়। এ সময় বরিশালগামী তাজ আনন্দ গ্রুপের একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ফিরোজ মাহমুদ, তার স্ত্রী মনিরা বেগম এবং শিশু কন্যা জান্নাত নিহত হন।’
ওসি মহসীন হোসেন বলেছেন, ‘আনন্দ পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটি চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই বাইকে থাকা তিনজন নিহত হয়েছেন। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।’







