বেরোবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

গ্রেপ্তার ৩ জন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর ডিবি পুলিশ।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী।
গ্রেপ্তাররা হলেন রংপুর নগরীর খামার মোড় এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে মুরাদ হাসান মুহিদ (২৫), দক্ষিণ বাবুখা এলাকার নুর মোহাম্মদ বাংটুর ছেলে নুর জামাল ইসলাম (২৭) এবং খামার মোড়ের শান্তিবাগ এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে রতন মিয়া (২৮)।
পুলিশ জানায়, মুরাদ হাসান মুহিদের বিরুদ্ধে চুরিসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে। নুর জামাল ইসলাম মাদক সেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে একাধিকবার সাজা ভোগ করেছেন। অন্যদিকে রতন মিয়ার বিরুদ্ধে রয়েছে চারটি মামলা।
পুলিশের ভাষ্য, তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য এবং চুরি, ছিনতাই ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত।
এর আগে গতকাল বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সুমন হালদার লালবাগ এলাকায় ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। এ সময় তাকে আটকে রেখে প্রায় দুই ঘণ্টা মারধর ও নির্যাতন করা হয়। পরে তার কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে সন্ধ্যায় ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও তাজহাট থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী জানান, ঘটনার পরই অভিযান শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।



