কক্সবাজারে ৩ নতুন পুলিশ ফাঁড়ি, জমি নির্ধারণে জেলা প্রশাসক

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার মানবপাচার ও অপহরণপ্রবণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা জোরদারে তিনটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত জমি পরিদর্শন ও নির্ধারণ করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।
আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কচ্ছপিয়া এলাকায় যান। সেখানে তিনি প্রস্তাবিত পুলিশ ফাঁড়ির স্থান পরিদর্শন করে জমি চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কচ্ছপিয়া এলাকা মানবপাচার ও অপহরণ চক্রের অন্যতম সক্রিয় রুট হিসেবে পরিচিত। এ বাস্তবতায় উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মানবপাচার ও অপহরণ প্রতিরোধে মোট তিনটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জমি নির্ধারণের সময় উপস্থিত ছিলেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন, চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা, বাহারছড়া উত্তর শাখা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেছেন, অপহরণ ও মানবপাচারের ঝুঁকিতে থাকা এই এলাকার মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সরকার নতুন তিনটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিগগিরই এসব পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকনের প্রত্যাশা, নতুন পুলিশ ফাঁড়িগুলো চালু হলে কচ্ছপিয়াসহ আশপাশের এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়বে। মানবপাচার ও অপহরণ চক্রের দৌরাত্ম্য কমবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।




