কুমিল্লার রাজা বাহাদুরের দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা

শুক্রবার দাউদকান্দি উপজেলার চক্রতলা বাজারে কুমিল্লার রাজা বাহাদুর নামে এক গরুর দাম চাওয়া হয় ১০ লাখ। ছবি: আগামীর সময়
জমে উঠেছে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিভিন্ন গরু ও ছাগলের হাট। প্রায় ৫০টিতে এরইমধ্যে বিক্রি হয়েছে বেশ কিছু গরু।
দাউদকান্দির সবচেয়ে গরুর হাট ইলিয়টগঞ্জে। এ বাজারে শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত চলবে গরু বিক্রি।
উপজেলার অন্যতম জমজমাট হাট বসে গৌরীপুরে। আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে সেই হাট। এখানে গরু, ছাগল বেচাকেনা হবে বুধবার পর্যন্ত। কাল সোমবার থেকে পৌর সদরের আর্মি মাঠ ও কেডিসি মাঠের গরুর বাজারও শুরু হবে। এছাড়া মলয় বাজার, চক্রতলা বাজার, নৈয়ার বাজার, সুন্দলপুর বাজারসহ অস্থায়ী হাটগুলোতে বিকিনিকির প্রস্তুতি চলছে।
শনিবার ইলিয়টগঞ্জ ও চক্রতলা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা অনেক বেশি। বড় গরু তুলনামূলক কম। বাজারগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতার আনাগোনা লেগেই আছে। তবে এখনো ঈদের কয়েক দিন বাকি থাকায় গরুর দাম বেশি। এ কারণে বিক্রি এখনও জমেনি।
তবে দুই একদিন পর বেচাকেনা বাড়বে বলে জানান ব্যাপারীরা।
চক্রতলা বাজারে শাহ আলম নামে একজন ক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেছেন, গরুর দাম কী পর্যায়ে এসেছে তা দেখার জন্য এসেছি। দুই থেকে আড়াই মণ ওজনের গরু ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা, আড়াই থেকে চার মণের গরুর দাম দেড় থেকে দুই লাখ টাকা, ৪ থেকে ৬ মণের গরুর দাম ২ লাখ ২০ থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা আর ৬ মণের বেশি ওজনের গরু ৩ লাখ টাকার বেশি দাম চাইছেন ব্যাপারীরা।
চক্রতলা বাজারের গরু বিক্রেতা মনির হোসেন বলেছেন, ‘আমার নিজের গরুর ছোট খামার রয়েছে। প্রতি বছরই আমি দাউদকান্দি উপজেলার বিভিন্ন হাটে গরু নিয়ে আসি। এবার আমার খামারে বড় সাইজের দুটি গরু রয়েছে রাজা বাহাদুর নামে। যার একটির দাম চাইছি ১০ লাখ টাকা আর অন্যটা ৮ লাখ টাকা।’
‘এ দুটি গরুর বয়স হয়েছে পাঁচ বছর। এবারে ঈদে এ গরু দুটি বিক্রি করতে চাই।’
চাঁদপুর থেকে ৩৯টি গরু নিয়ে ইলিয়টগঞ্জ হাটে আসা ব্যাপারী আখতার হোসেন জানান, গৃহস্থের কাছ থেকে গরু প্রতি গত বছরের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হয়েছে। এরপর গরু নিয়ে আসতে খরচও বেশি।
কুমিল্লা থেকে ১৭টি গরু নিয়ে আসা আলমগীর হোসেন বলেছেন, এবার গরুর সংখ্যা কম। এখনও বেচাবিক্রি শুরু হয়নি। আশা করি কাল থেকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে।
ইলিয়টগঞ্জ হাটের ইজারাদার বলেছেন, আমরা এ হাটে ১০ হাজার গরু কেনাবেচার ব্যবস্থা করেছি। এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ গরু এসেছে।






