রূপগঞ্জ
ওয়াজ মাহফিলের পোস্টারে নাম না দেওয়ায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নিহত যুবদল নেতা রিপন মিয়া
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ওয়াজ মাহফিলের পোস্টারে নাম না দেওয়ায় এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
গতকাল রবিবার রাত ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ভোলাব ইউনিয়নের পাইসকা গ্রামে।
নিহত যুবদল নেতার নাম রিপন মিয়া (৪৫)। তিনি উপজেলার ভোলাব ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। তার বাবার নাম শহীদুল্লাহ। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন আহমেদ।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৬ ও ৭ অক্টোবর রাতে পাইসকা এলাকায় যুবসমাজের উদ্যোগে একটি ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে রিপন মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ছিলেন। তবে স্থানীয় রিফাত কাজী, ফরহাদ কাজী, তানভীর কাজী, আমিরুল কাজী ও ইমন কাজীর নাম ওই কমিটিতে না থাকায় তারা ক্ষুব্ধ হন।
এ নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় রিপন মিয়ার সঙ্গে রিফাত কাজী ও তার লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রিফাত কাজী, ফরহাদ কাজী, তানভীর কাজী, আমিরুল কাজী ও ইমন কাজীসহ ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ পরিবারের সদস্যদের।
এসময় হামলাকারীরা রিপন মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রিপন মিয়া দিপু ভূঁইয়ার রাজনৈতিক প্যানেলের অনুসারী ছিলেন। অন্যদিকে অভিযুক্তরা কাজী মনিরের রাজনৈতিক প্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। তবে উভয় পক্ষের লোকজনই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
ওসি এ এইচ এম সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।




