টোয়াসের সুন্দরবন ক্লিন অভিযানে বিপুল বর্জ্য অপসারণ

ছবি: আগামীর সময়
শেষ হয়েছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের (টোয়াস) তিন দিনের ক্লিন অভিযান। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় এই অভিযান।
এর আগে গত সোমবার (৭ সেপ্টম্বর) সকালে সুন্দরবনের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র শরণখোলা রেঞ্জের কটকা থেকে শুরু হয় এই কার্যক্রম। এরপর একে একে কটকার জামতলা সীবিচ, কচিখালী, ডিমেরচর ও আন্ধারমানিক পর্যটন কেন্দ্রে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অপচনশীল প্লাস্টিক, পলিথিনসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপদ্রব্য অপসারণ করা হয়। তিন দিনে বিপুল পরিমাণ অপদ্রব্য সংগ্রহ করেন টোয়াসের সদস্যরা।
টোয়াসের সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম কচি বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য সুন্দরবনকে দূষণমুক্ত রাখা। পাশপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আনন্দময় ভ্রমণ উপহার দিতেই প্রতিবছর দুইবার সুন্দরবনের ট্যুরিস্ট স্পটগুলো পরিষ্কার করে থাকি। এ বছর প্রথম অভিযানে টেযাসের ৬৫ জন সদস্য এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
টোয়াসের এই নেতা আরো জানান, সুন্দরবন থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্যরে বেশির ভাগই জেলেদের জালের ভাসনা হিসেবে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ফ্লট। যা নষ্ট হবার পরে সাগরে ফেলার কারণে ভেসে ভেসে সুন্দরবনের এসে জমা হয়েছে। সংগৃহীত এসব বর্জ্য খুলনা সিটি করর্পোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে দেওয়া হবে।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রে ক্ষতিকর প্লাষ্টিক বর্জ্য অপসারণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। বনরক্ষীরা নিয়মিতই করে থাকেন এই কাজটি। তবে বৃহত্তর পরিসরে টোয়াসের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিপুল পরিমাণ অপচনশীল বর্জ্য অপসারণ হয়। এটি অব্যাহত রাখতে স্বেচ্ছাসেবকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা করে থাকে বন বিভাগ।





