Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়ের ভরসা খান এ রউফ
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

ব্যয়বহুল শহরে মাথা গোঁজার ঠাঁই হচ্ছে কনস্টেবলদের

চট্টগ্রাম অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৫৭
ব্যয়বহুল শহরে মাথা গোঁজার ঠাঁই হচ্ছে কনস্টেবলদের

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

দূরের জেলা থেকে চাকরি করতে বন্দরনগরীতে আসা পুলিশের একজন কনস্টেবল কিংবা নায়েক। ব্যারাকে গাদাগাদি করে থাকা, ক্যান্টিনের খাওয়া। স্বল্প আয়ের একজন পুলিশ সদস্যের জীবনযাপনের এটিই সাধারণ চিত্র। চট্টগ্রামের মতো একটি ব্যয়বহুল শহরে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকা, তার জন্য দুঃস্বপ্ন।

প্রায় এক দশক আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম নগরীতে পুলিশের জন্য ২০ তলা করে তিনটি আবাসন টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। দুটি টাওয়ার নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আরেকটির কাজ শেষের পথে।

আগামী তিন মাসের মধ্যে তিনটি টাওয়ারের সব ফ্ল্যাট বরাদ্দ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পকাজে যুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা। আর কনস্টেবল, নায়েকরা স্বপ্ন দেখছেন নতুন ফ্ল্যাটের চাবির। যদিও চট্টগ্রামে বিভিন্ন ইউনিটে তিন হাজারের বেশি এসব পদের পুলিশ সদস্য কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে মাত্র সাড়ে চারশ জন প্রথম দফায় পরিবার নিয়ে ফ্ল্যাটে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রথম দফায় প্রথম শ্রেণির পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য ফ্ল্যাট বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানালেন প্রকল্প তদারকির দায়িত্বে থাকা সিএমপির উপকমিশনার (এস্টেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট) আবু বক্কর সিদ্দিক। তার ভাষ্য, ‘ডবলমুরিং থানার সীমানায় একটি টাওয়ার নির্মাণ শেষ করে আমরা বরাদ্দ দিচ্ছি। এখানে প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন এক হাজার বর্গফুট। মোট ফ্ল্যাট হয়েছে ১৫২টি। এর মধ্যে ১৩২টি অলরেডি বরাদ্দ হয়ে গেছে। পুলিশ পরিদর্শক থেকে সহকারী পুলিশ সুপার বা সহকারী কমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে এসব ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।’

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৭ সালে দেশের বিভিন্নস্থানে ৯টি ২০ তলা করে পুলিশ আবাসন টাওয়ার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জায়গা নির্ধারণসহ আনুষাঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করে ২০১৯-২০২০ সালে পর্যায়ক্রমে সেগুলো নির্মাণের আদেশ দেওয়া হয়। স্থাপত্য বিভাগের নকশায় যৌথভাবে পুলিশ ও গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে এই টাওয়ারগুলো বানোনো হয়েছে।

প্রতিটি টাওয়ার নির্মাণে খরচ হয়েছে ৮২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। ২০ তলা টাওয়ারের প্রতি তলায় ১২টি করে ইউনিট আছে। প্রতিটি টাওয়ারে নিজস্ব পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, দুটি লিফট, অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতায়ন ছাড়াও শিশুদের খেলার মাঠ এবং সবুজ মাঠ রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জন্য বরাদ্দ তিনটি টাওয়ারের ডবলমুরিংয়েরটা ছাড়া বাকি দুটি মনসুরাবাদ ও দামপাড়া পুলিশ লাইনে। উভয় টাওয়ারে ফ্ল্যাট করা হয়েছে ২২৮টি করে মোট ৪৫৬টি। প্রতি ফ্ল্যাটের আয়তন ৬৫০ বর্গফুট করে। এসব ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হবে কনস্টেবল, নায়েক থেকে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পদের সদস্যদের।

নগর পুলিশের জায়গায় নির্মিত ফ্ল্যাটগুলো সিএমপির পাশাপাশি আরআরএফ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, পিবিআই, সিআইডি, এপিবিএনে কর্মরতরাও বরাদ্দের আবেদন করতে পারবেন। বরাদ্দ প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্য সিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি আছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে তিনটি টাওয়ার নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। ২০২১ সালের ৯ আগস্ট নির্মাণকাজ শেষে সেগুলো বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। তবে কোনোটির নির্মাণকাজই নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি। ডবলমুরিং ও মনসুরাবাদের দুই টাওয়ারের নির্মাণ শেষ হয় ২০২৪ সালে।

এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ঘটে। এরপর দামপাড়া পুলিশ লাইনের টাওয়ারের কাজ অসমাপ্ত রেখে পালিয়ে যায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দেশ উন্নয়ন লিমিটেডের মালিক ও কর্মকর্তারা। প্রায় দুই বছর কাজ বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি পুলিশ প্রতিষ্ঠানটিকে আবার সক্রিয় করেছে।

নগর পুলিশের উপকমিশনার আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, দামপাড়ায় ফ্ল্যাটগুলো পুরোপুরি রেডি হয়নি। বিদ্যুৎ সংযোগসহ আরও কিছু কাজ বাকি আছে। টাওয়ারের সামনে রাস্তা এবং সবুজ উদ্যানও প্রস্তুত হয়নি। এগুলো শেষ করতে আরও মাস দুয়েক লাগবে। মনসুরাবাদের ফ্ল্যাটগুলো আগামী মাস থেকে বরাদ্দ হবে। দামপাড়ারগুলো জুনের শেষদিকে কিংবা জুলাই মাসে শুরু করব।’

চট্টগ্রামে ডিআইজি, পুলিশ সুপার এমনকি রেলওয়ের পুলিশ সুপারের জন্য নিজস্ব বাংলো আছে। কিন্তু চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের কমিশনারের জন্য নিজস্ব বাংলো নেই। দামপাড়া পুলিশ লাইনে ২০টির মতো পুরনো আবাসিক ভবনে শ’খানেক বাসা আছে। এসব বাসা স্টাফ কোয়ার্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনটি টাওয়ারে কনস্টেবল, নায়েক, এএসআই, পরিদর্শক ও এএসপি’র আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এরপরও আবাসন সুবিধার বাইরে থেকে যাচ্ছেন উপ-পরিদর্শক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তাদের জন্য ১ হাজার বর্গফুট এবং কনস্টেবলদের জন্য ৬৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট তৈরি নিয়ে আক্ষেপ আছে নিম্ন পদের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে। ফ্ল্যাট বরাদ্দ পাবার প্রত্যাশায় থাকা নগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত এক কনস্টেবল জানান, স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তান মিলে চারজনের পরিবার যদি হয়, সাড়ে ছয়শ বর্গফুটের ফ্ল্যাট খুবই ছোট হবে। অবশ্য এই আয়তনের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে পরিবার নিয়ে চট্টগ্রামে বসবাস করা তো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বেতন থেকে যেহেতু বাড়ি ভাড়া কেটে নেওয়া হবে, ফ্ল্যাটের আয়তন অফিসারদের সমান হলে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা যেত।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক রাশেদুল হাসানের মতে, ‘চার সদস্যের একটি পরিবারের জন্য ৮০০ থেকে ৯০০ বর্গফুটের বাসা হলে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা যায়। অবশ্য এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো স্ট্যান্ডার্ড আমাদের দেশে নির্ধারণ করা নেই।’

চার সদস্যের পরিবারের কথা মাথায় রেখেই ফ্ল্যাটের ডিজাইন করা হয়েছে বলে জানালেন উপ পুলিশ কমিশনার আবু বক্কর সিদ্দিক। ‘কনস্টেবলদের বাসাগুলো ৬৫০ বর্গফুট হলেও এটা ফ্ল্যাটের ভেতরের আয়তন। রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোর ফ্ল্যাটের হিসেব করলে এর আয়তন হবে কমপক্ষে ১১০০ বর্গফুট। আর বরাদ্দ দেওয়া হবে সরকারি কর্মচারীদের আবাসন বরাদ্দ নীতিমাল অনুযায়ী। যে পদের কর্মচারী যতটুকু প্রাপ্য ততটুকুই দেওয়া হবে।’

চট্টগ্রামপুলিশফ্ল্যাট
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise