বন্যার্তদের সাহায্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান

সংগৃহীত ছবি
টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো। সহায়তা নিয়ে বন্যাদুর্গত এলাকায় পৌঁছেছে পার্কভিউ হাসপাতাল লিমিটেড। একই সঙ্গে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা ১০০টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা)।
পার্কভিউ হাসপাতাল লিমিটেডের উদ্যোগে বাঁশখালীর কোকদণ্ডী, ইলশা, চাপাছড়ি, বাহারচড়া, মাইজপাড়া, বাঁশখালা, বাগমারা, কাথারিয়া, বৈলছড়িসহ বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় খাদ্য ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ টি এম রেজাউল করিমের দিকনির্দেশনায় এবং মার্কেটিং ম্যানেজার জাহেদুল ইসলাম ও মার্কেটিং টিমের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতারই অংশ।
অন্যদিকে, জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসের অর্থায়নে এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের সহযোগিতায় পরিচালিত ‘অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন’ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম মহানগর ও বাঁশখালীর পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ ১০০টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ইপসা। এতে জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৮৪টি পরিবার শর্তহীন এবং ১৬ জন ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা শর্তযুক্ত নগদ সহায়তা পেয়েছেন।
ইপসা জানায়, পূর্বাভাসভিত্তিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিদ্যানন্দ, অক্সফাম ইন বাংলাদেশ, বিডি ক্লিন, ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সংগঠন ও বাঁশখালী স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কলেজের শিক্ষার্থী, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বন্যাকবলিত এলাকায় সাহায্যে এগিয়ে এসেছে। অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে নিজ উদ্যোগে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, নগদ অর্থ ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থার এমন কার্যক্রম দুর্যোগ মোকাবিলায় ও দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি কার্যকর হবে।





