ডেঙ্গু প্রতিরোধ
বাসাবাড়িতে জমে থাকা পানি অপসারণের তাগিদ চসিক মেয়রের

ছবি: আগামীর সময়
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমই যথেষ্ট নয়, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নাগরিকদেরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ সোমবার সকালে নগরের চান্দগাঁও এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা বলেন।
সকাল সাড়ে ১১টায় চান্দগাঁওয়ের চন্দ্রিমা আবাসিক এলাকায় চসিকের মশক নিধন ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ পরিদর্শন করেন মেয়র। এ সময় এলাকার বিভিন্ন স্থানে মশার ওষুধ ছিটানো ও লার্ভা ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা হয়।
পরিদর্শনকালে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন’-এই অভ্যাস সবাইকে গড়ে তুলতে হবে। বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, এসির নিচের ট্রে বা পরিত্যক্ত পাত্রে যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ডাবের খোসা ও প্লাস্টিকের পাত্র দ্রুত অপসারণের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।
চসিকের মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সম্পর্কে মেয়র জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলছে। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) স্বীকৃত বিটিআই ব্যবহারের পাশাপাশি নিয়মিত লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড প্রয়োগ করা হচ্ছে।
মেয়র আরও জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিয়ন্ত্রণে তিন মাসব্যাপী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ড পরিচ্ছন্ন রাখতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠপর্যায়ে তদারকি করছেন। এ ছাড়া বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এ কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে।




