অক্টোবরের চাপে ৩ বছরে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু আক্রান্ত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
চট্টগ্রামে অক্টোবরে ডেঙ্গু আক্রান্ত অন্যান্য সব মাসকে ছাড়িয়ে গেছে। ডেঙ্গু নিয়ে অক্টোবরে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬০৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অক্টোবরের রোগীর চাপের কারণে তিন বছরের মধ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণে শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে ২০২৬ সাল। এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৭৪ জনের বিপরীতে মারা গেছেন ৩৬ জন।
অক্টোবরের শেষে নভেম্বরকেও ডেঙ্গুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন চিকিৎসকেরা। এখনো থেমে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে এখনই ডেঙ্গুজ্বর থেকে নিস্তার পাওয়ার আশা নেই বলে তাদের ধারণা। জমে থাকা পানিতে এডিশ মশার উৎপাত বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে আজ শনিবার পাঠানো সবশেষ ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদনে দেখা যায় মাসের শেষদিনে মোট ৮৩ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। মারা গেছেন একজন। তার নাম নূর আয়েশা (৬২)। তিনি কক্সবাজারের চকরিয়ার বাসিন্দা।
শুক্রবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এনিয়ে ডেঙ্গুতে অক্টোবরে মারা গেল ১৫ জন।
সেপ্টেম্বর মাসে মোট আক্রান্ত ছিল ২ হাজার ৪৩০ জন। বিপরীতে মারা গেছেন ১৬ জন। আগস্ট থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত বাড়তে শুরু করে। ওই মাসে ১ হাজার ২০২ জন আক্রান্তের বিপরীতে মারা যায় ২ জন।
অক্টোবর পর্যন্ত মোট আক্রান্ত সাত হাজারের মাইলফল গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৮৭ জন আক্রান্তের মধ্যে ১০৭ জন মারা গিয়েছিল। ২০২৪ সালে ৪ হাজার ৩২৩ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ৪৫ জন মারা যায়। গতবছর ৪ হাজার ৮৬৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়। মারা যায় ২৭ জন।
সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বললেন, ‘ডেঙ্গুজ্বর থেকে মুক্তির জন্য জনসাধারণকে সচেতন হতে হবে। নিজের আঙিনা, ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তাহলে এডিশ মশার প্রজনন রোধ করা সম্ভব হবে।’



