এসপিএম চালাবে ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি

ছবি: আগামীর সময়
বঙ্গোপসাগরের মহেশখালী সাগর থেকে জ্বালানি তেল খালাস করে পাইপলাইনে চট্টগ্রাম পৌঁছাতে ঠিকাদার চূড়ান্ত হয়েছে। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) নামের এই প্রকল্পের পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘পিটি পারতামিনা ট্রান্স কন্টিনেন্টাল’র সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। বিপিসির ঢাকা লিয়াজোঁ অফিসে অনুষ্ঠান হয়।
সমুদ্রে থাকা জাহাজ থেকে সরাসরি তেল খালাসের জন্য ‘সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) উইথ ডাবল পাইপলাইন’ শীর্ষক প্রকল্পের কাজ প্রায় দুই বছর আগে শেষ হয়। প্রায় ৮ হাজার তিনশ কোটি টাকায় চীন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। ঋণও দেয় চীন। কিন্তু তা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগ ঝুলে থাকায় পাইপলাইন বসিয়ে রেখেই এতদিন সনাতন পদ্ধতিতেই তেল খালাস চলছিল।
আমদানি করা এক লাখ ২০ হাজার টন জ্বালানি তেল বড় জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজ হয়ে পতেঙ্গার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমেটেডের ট্যাংকে পৌঁছাতে এত দিন সময় লাগত ১১ থেকে ১২ দিন। এসপিএম চালু হলে সমপরিমাণ তেল পরিবহনে সময় লাগবে ৪৮ ঘণ্টা। এতে বছরে সাশ্রয় হবে কমপক্ষে ৮০০ কোটি টাকা এবং কমবে সিস্টেম লস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিপিসির চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিস্তিয়াওয়াতি। বিপিসির পক্ষে পরিচালক (পরিকল্পনা) মুহাম্মদ আসাদুল হক এবং পারতামিনার পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ডিরেক্টর হ্যারিস আব্দি সেমবিরিং মেলিয়ালা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির মাধ্যমে আগামী ৫ বছরের জন্য ১ হাজার ৯৪৬ কোটি টাকায় এসপিএম স্থাপনার অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স কার্যক্রম পরিচালনা করবে ইন্দোনেশিয়ার এই কোম্পানিটি। অনুষ্ঠানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি এবং বিপিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




