Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
জনকল্যাণে বাবা-ছেলের দৃষ্টান্ত
শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় আপনি কি জানেন

মাটির নিচে স্টার ওয়ার্সের সেই কিংবদন্তি বাড়ি

ফিচার ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:২২
মাটির নিচে স্টার ওয়ার্সের সেই কিংবদন্তি বাড়ি

মাটির নিচে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর বসতি।

তিউনিসিয়ার দক্ষিণের শুষ্ক মরুভূমির ঠিক মাঝখানে ছোট্ট একটি শহর মাটমাটা। আপাত দৃষ্টিতে জায়গাটি সাধারণ মনে হলেও, এর মাটির নিচে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর বসতি। এখানকার আমাজিঘ জনগোষ্ঠীর ভূগর্ভস্থ ঘরগুলো যেন অন্য এক জগতের গল্প বলে। এই অদ্ভুত স্থাপনাগুলো বিশ্ব জুড়ে পরিচিতি পেয়েছে স্টার ওয়ার্স চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। পরিচালক জর্জ লুকাস এখানকার একটি ঘরকেই লুক স্কাইওয়াকারের শৈশবের বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন।

গুহার ভেতরেই এক পূর্ণাঙ্গ সংসার
মাটমাটার এসব ঘরে প্রবেশের অভিজ্ঞতাই আলাদা। পাহাড়ের ঢালের ছোট্ট একটি প্রবেশপথ দিয়ে নিচে নামতে হয়। প্রথমে মনে হতে পারে গুহায় ঢুকছেন। কিন্তু ভেতরে ঢুকলেই দেখা যায়, এটি আসলে একটি পূর্ণাঙ্গ বাড়ি। সরু সুড়ঙ্গ একটির সঙ্গে আরেকটি কক্ষকে যুক্ত করেছে। কোথাও শোয়ার ঘর, কোথাও রান্নাঘর, কোথাও খাবার ঘর, আবার কোথাও অতিথিদের বসার জায়গা। বড় বাড়িগুলোর সুড়ঙ্গপথও বেশ দীর্ঘ।

সব কক্ষের কেন্দ্রবিন্দু একটি খোলা উঠান। গোলাকার এই উঠানেই আসে সূর্যের আলো ও বিশুদ্ধ বাতাস। পরিবারের সদস্যরা এখানেই নানা গৃহস্থালি কাজ করেন, গল্প করেন, শিশুদের খেলাধুলাও চলে এই জায়গাতেই।

মাটমাটার মাটির নিচের একটি ঘর। সিলিং এ দেয়াল চিত্র।

এই অনন্য ঘর তৈরির পদ্ধতিও চমকপ্রদ। প্রথমে নরম বেলেপাথরের মাটিতে গভীর একটি গোলাকার গর্ত খনন করা হয়। এরপর সেই গর্তের চারপাশে খুঁড়ে তৈরি করা হয় বসবাসের কক্ষগুলো। ফলে উপরের তীব্র গরমের মধ্যেও ঘরের ভেতর থাকে তুলনামূলক শীতল পরিবেশ। মরুভূমির কঠিন আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এটি ছিল অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই নির্মাণকৌশল।

ঐতিহ্যের টানাপড়েন
মাটমাটার অনেক পরিবার এখনো তাদের পূর্বপুরুষদের এই ঘরেই বসবাস করে। পর্যটকরা চাইলে তাদের বাড়ি ঘুরে দেখতে পারেন। অনেক পরিবার অতিথিদের সামনে কুসকুস তৈরির ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি, কার্পেট বোনা কিংবা বারবার সংস্কৃতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও প্রদর্শন করে। কেউ যদি শুধু ছবি তুলে ফিরে না গিয়ে তাদের সঙ্গে বসে স্থানীয় খাবার খান, তাহলে এই মানুষের জীবনযাপন, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে পারবেন।

তবে এই ঐতিহ্য এখন নানা সংকটে। ১৯৬০-এর দশকে ভয়াবহ বন্যায় অনেক ভূগর্ভস্থ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার দীর্ঘ খরাও এসব স্থাপনার জন্য হুমকি। একই সময়ে তিউনিসিয়াকে আধুনিকায়নের উদ্যোগে অনেক আমাজিঘ পরিবার শহরে চলে যায়। পরবর্তী সময়ে পর্যটনশিল্পের মন্দা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেও গ্রাম ছাড়ার প্রবণতা বেড়েছে।

অতিথিদের বসার জায়গা।

ফলে আজ খুব অল্পসংখ্যক মানুষই এসব ঘরে বসবাস করেন। আরও উদ্বেগের বিষয়, হাতে গোনা কয়েকজন কারিগর এখনো জানেন কীভাবে এই ভূগর্ভস্থ ঘর খনন, মেরামত ও সংরক্ষণ করতে হয়। তাই মাটমাটার এই বিস্ময়কর বসতিগুলো শুধু একটি পর্যটন আকর্ষণ নয়, বরং হাজার বছরের অভিযোজন, স্থাপত্যজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষ্য, যা সংরক্ষণ করা আজ সময়ের দাবি।

সূত্র: এংগেজিং কালচারস, অ্যাটলাস অবসকুরা 

রহস্যবাড়িমাটির নিচেগুহাভূগর্ভস্থ ঘাঁটিমাট্মাটাতিউনিসিয়াস্টার ওয়ার্স
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    বিদ্যুৎ-সারের দাবিতে বাসদের সমাবেশে বিএনপির হামলার অভিযোগ

    বিদ্যুৎ-সারের দাবিতে বাসদের সমাবেশে বিএনপির হামলার অভিযোগ

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যু

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৪৩

    বই খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, ভিডিও করায় সাংবাদিকদের মারধর

    বই খুলে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, ভিডিও করায় সাংবাদিকদের মারধর

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪০

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পর আরব বিশ্বের পরিস্থিতি কী

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পর আরব বিশ্বের পরিস্থিতি কী

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪২

    উন্নয়নের গল্প নয়, চার কোটি বেকারের কর্মসংস্থান চায় যুব ইউনিয়ন

    উন্নয়নের গল্প নয়, চার কোটি বেকারের কর্মসংস্থান চায় যুব ইউনিয়ন

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৯:০৮

    চাকরির বদলে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি, যেভাবে ফিরলেন রাজন

    চাকরির বদলে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি, যেভাবে ফিরলেন রাজন

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২১:৪৭

    খাল খননে হরিলুট, শ্রমিকদের মজুরি না দিয়েই কোষাগারে টাকা ফেরত ইউএনওর

    খাল খননে হরিলুট, শ্রমিকদের মজুরি না দিয়েই কোষাগারে টাকা ফেরত ইউএনওর

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ২২:১৭

    নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, পরে গ্রেপ্তার ১৪

    নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, পরে গ্রেপ্তার ১৪

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫৩

    আগামী বছর মিয়ানমারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু করবে রাশিয়া

    আগামী বছর মিয়ানমারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু করবে রাশিয়া

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৩৯

    জীবনের জুটি গড়ে মাঠে ভাঙেন রুবেল

    জীবনের জুটি গড়ে মাঠে ভাঙেন রুবেল

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪

    ভেনিসে পর্দা উঠছে বিশ্ব চলচ্চিত্রের, থাকছে বাংলাদেশের সিনেমাও

    ভেনিসে পর্দা উঠছে বিশ্ব চলচ্চিত্রের, থাকছে বাংলাদেশের সিনেমাও

    ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৩৬

    বন্দুক হাতে পার্কে ঘোরার ভিডিও ভাইরাল, সেই দুই তরুণ গ্রেপ্তার

    বন্দুক হাতে পার্কে ঘোরার ভিডিও ভাইরাল, সেই দুই তরুণ গ্রেপ্তার

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪১

    বনজীবীদের মনে ভয়, কাঁধে ঋণ

    বনজীবীদের মনে ভয়, কাঁধে ঋণ

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৩

    ‘শারজাহ মডেলে’ সাজতে পারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর

    ‘শারজাহ মডেলে’ সাজতে পারে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৫

    সংকট মেটাতে ‘সার কার্ড’

    সংকট মেটাতে ‘সার কার্ড’

    ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:১৮

    advertiseadvertise