Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রজন্মকে বইয়ে ফেরাচ্ছেন খালিক উদ্দিন
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় আপনি কি জানেন

মাটির নিচে স্টার ওয়ার্সের সেই কিংবদন্তি বাড়ি

ফিচার ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:২২
মাটির নিচে স্টার ওয়ার্সের সেই কিংবদন্তি বাড়ি

মাটির নিচে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর বসতি।

তিউনিসিয়ার দক্ষিণের শুষ্ক মরুভূমির ঠিক মাঝখানে ছোট্ট একটি শহর মাটমাটা। আপাত দৃষ্টিতে জায়গাটি সাধারণ মনে হলেও, এর মাটির নিচে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর বসতি। এখানকার আমাজিঘ জনগোষ্ঠীর ভূগর্ভস্থ ঘরগুলো যেন অন্য এক জগতের গল্প বলে। এই অদ্ভুত স্থাপনাগুলো বিশ্ব জুড়ে পরিচিতি পেয়েছে স্টার ওয়ার্স চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। পরিচালক জর্জ লুকাস এখানকার একটি ঘরকেই লুক স্কাইওয়াকারের শৈশবের বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন।

গুহার ভেতরেই এক পূর্ণাঙ্গ সংসার
মাটমাটার এসব ঘরে প্রবেশের অভিজ্ঞতাই আলাদা। পাহাড়ের ঢালের ছোট্ট একটি প্রবেশপথ দিয়ে নিচে নামতে হয়। প্রথমে মনে হতে পারে গুহায় ঢুকছেন। কিন্তু ভেতরে ঢুকলেই দেখা যায়, এটি আসলে একটি পূর্ণাঙ্গ বাড়ি। সরু সুড়ঙ্গ একটির সঙ্গে আরেকটি কক্ষকে যুক্ত করেছে। কোথাও শোয়ার ঘর, কোথাও রান্নাঘর, কোথাও খাবার ঘর, আবার কোথাও অতিথিদের বসার জায়গা। বড় বাড়িগুলোর সুড়ঙ্গপথও বেশ দীর্ঘ।

সব কক্ষের কেন্দ্রবিন্দু একটি খোলা উঠান। গোলাকার এই উঠানেই আসে সূর্যের আলো ও বিশুদ্ধ বাতাস। পরিবারের সদস্যরা এখানেই নানা গৃহস্থালি কাজ করেন, গল্প করেন, শিশুদের খেলাধুলাও চলে এই জায়গাতেই।

মাটমাটার মাটির নিচের একটি ঘর। সিলিং এ দেয়াল চিত্র।

এই অনন্য ঘর তৈরির পদ্ধতিও চমকপ্রদ। প্রথমে নরম বেলেপাথরের মাটিতে গভীর একটি গোলাকার গর্ত খনন করা হয়। এরপর সেই গর্তের চারপাশে খুঁড়ে তৈরি করা হয় বসবাসের কক্ষগুলো। ফলে উপরের তীব্র গরমের মধ্যেও ঘরের ভেতর থাকে তুলনামূলক শীতল পরিবেশ। মরুভূমির কঠিন আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য এটি ছিল অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই নির্মাণকৌশল।

ঐতিহ্যের টানাপড়েন
মাটমাটার অনেক পরিবার এখনো তাদের পূর্বপুরুষদের এই ঘরেই বসবাস করে। পর্যটকরা চাইলে তাদের বাড়ি ঘুরে দেখতে পারেন। অনেক পরিবার অতিথিদের সামনে কুসকুস তৈরির ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি, কার্পেট বোনা কিংবা বারবার সংস্কৃতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও প্রদর্শন করে। কেউ যদি শুধু ছবি তুলে ফিরে না গিয়ে তাদের সঙ্গে বসে স্থানীয় খাবার খান, তাহলে এই মানুষের জীবনযাপন, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে পারবেন।

তবে এই ঐতিহ্য এখন নানা সংকটে। ১৯৬০-এর দশকে ভয়াবহ বন্যায় অনেক ভূগর্ভস্থ ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার দীর্ঘ খরাও এসব স্থাপনার জন্য হুমকি। একই সময়ে তিউনিসিয়াকে আধুনিকায়নের উদ্যোগে অনেক আমাজিঘ পরিবার শহরে চলে যায়। পরবর্তী সময়ে পর্যটনশিল্পের মন্দা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেও গ্রাম ছাড়ার প্রবণতা বেড়েছে।

অতিথিদের বসার জায়গা।

ফলে আজ খুব অল্পসংখ্যক মানুষই এসব ঘরে বসবাস করেন। আরও উদ্বেগের বিষয়, হাতে গোনা কয়েকজন কারিগর এখনো জানেন কীভাবে এই ভূগর্ভস্থ ঘর খনন, মেরামত ও সংরক্ষণ করতে হয়। তাই মাটমাটার এই বিস্ময়কর বসতিগুলো শুধু একটি পর্যটন আকর্ষণ নয়, বরং হাজার বছরের অভিযোজন, স্থাপত্যজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষ্য, যা সংরক্ষণ করা আজ সময়ের দাবি।

সূত্র: এংগেজিং কালচারস, অ্যাটলাস অবসকুরা 

রহস্যবাড়িমাটির নিচেগুহাভূগর্ভস্থ ঘাঁটিমাট্মাটাতিউনিসিয়াস্টার ওয়ার্স
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ড. ইউনূসকে হেনস্তা ‘আনচ্যালেঞ্জড’ যাবে না : উপদেষ্টা জাহেদ

    ড. ইউনূসকে হেনস্তা ‘আনচ্যালেঞ্জড’ যাবে না : উপদেষ্টা জাহেদ

    অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্যের রাত পার হলো যেভাবে

    অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্যের রাত পার হলো যেভাবে

    কালীগঞ্জে আলাদা দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ

    কালীগঞ্জে আলাদা দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু

    ড. ইউনূসকে হেনস্তার প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল— সূর্যের দিকে ঢিল ছুড়লে কী হয়

    ড. ইউনূসকে হেনস্তার প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল— সূর্যের দিকে ঢিল ছুড়লে কী হয়