Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

এপস্টেইন ফাইলসে গেটসের নাম, ‘দুঃখে ভারাক্রান্ত’ সাবেক স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৪
এপস্টেইন ফাইলসে গেটসের নাম, ‘দুঃখে ভারাক্রান্ত’ সাবেক স্ত্রী

মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটস


জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত ফাইলসে ধনকুবেরদের নাম আসা নিয়ে জোর সমালোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে। এই তালিকায় এসেছে প্রযুক্তি খাতের টাইকুন মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের নামও। তিনি যদিও বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই অভিযোগ তার সাবেক স্ত্রী বিলিয়নেয়ার সমাজসেবী মেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসকে অত্যন্ত কষ্ট দিয়েছে। তিনি এই অভিযোগের খবর শোনার ওপর ‘দুঃখে ভারাক্রান্ত’ বলে জানান।

মেলিন্ডা বলেছেন, এই ফাইলসে গেটসের নাম থাকার বিষয়টি তার দাম্পত্য জীবনের ‘বেদনাদায়ক সময়গুলো’ আবার সামনে নিয়ে এসেছে।

তিনি এনপিআরের একটি পডকাস্টে বলেন, এপস্টেইন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো তাকে ‘অবিশ্বাস্য রকমের দুঃখে’ ভরিয়ে দিয়েছে। তার সাবেক স্বামীসহ যাদের নাম নথিতে রয়েছে তাদের এসব বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে।

সমাজসেবী মেলিন্ডা বলেন, এই সব কলুষ থেকে দূরে থাকতে পেরে আমি খুবই খুশি।

২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০২১ সালে এই দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথিগুলোতে এপস্টেইনের একটি অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে তিনি দাবি করেন, বিল গেটস যৌনবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বিল গেটস যদিও এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিল গেটসের একজন মুখপাত্র অভিযোগগুলো সম্পর্কে বলেন, এই অভিযোগগুলো একেবারেই হাস্যকর এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা। আর এ অভিযোগগুলো এসেছে একজন প্রমাণিত ও ক্ষুব্ধ মিথ্যাবাদীর কাছ থেকে।

তবে এপস্টেইনের কোনো ভুক্তভোগীই বিল গেটসের বিরুদ্ধে কোনো অন্যায়ের অভিযোগ তোলেননি। আর নথিতে তার নাম থাকা মানেই কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয় না।

এনপিআরের ‘ওয়াইল্ড কার্ড’ পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেলিন্ডা বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য এটা খুব কঠিন, যখনই এসব বিষয় সামনে আসে। কারণ এতে আমার দাম্পত্য জীবনের কিছু অত্যন্ত, অত্যন্ত বেদনাদায়ক স্মৃতি ফিরে আসে।

তিনি আরও বলেন, এখনো যেসব প্রশ্ন রয়ে গেছে সেগুলোর উত্তর সংশ্লিষ্ট মানুষদের দিতে হবে, এমনকি আমার সাবেক স্বামীকেও। এসবের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব আমার নয়।



মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিচ্ছেদের আগে মেলিন্ডা গেটস তার স্বামীর সঙ্গে এপস্টেইনের যোগাযোগ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর বিল গেটস স্বীকার করেন ২০১৯ সালে মাইক্রোসফটের এক কর্মীর সঙ্গে তার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল।

বিল গেটস-সংক্রান্ত অভিযোগগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের গত সপ্তাহে প্রকাশ করা ৩০ লাখেরও বেশি নথির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

২০১৩ সালের ১৮ জুলাই তারিখের দুটি ইমেইল এপস্টেইন লিখেছিলেন বলে ধারণা করা হয়, তবে সেগুলো আদৌ বিল গেটসের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

দুটি ইমেইলই এপস্টেইনের নিজের ইমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে পাঠানো হয়ে আবার একই অ্যাকাউন্টে ফিরে আসে। এতে বিল গেটসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ইমেইল ঠিকানা দেখা যায় না। শুধু তাই নয় ইমেইলগুলোতে কোনো সইও নেই।

একটি ইমেইলকে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগপত্র হিসেবে লেখা হয়েছে বলে মনে হয়। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, বিল গেটসকে ‘রুশ নারীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের পরিণতি সামাল দিতে’ ওষুধ সংগ্রহ করতে হয়েছিল।

অন্য ইমেইলটি ‘প্রিয় বিল’ দিয়ে শুরু হয়। এতে বন্ধুত্ব শেষ করে দেওয়া নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে যে বিল গেটস যৌনবাহিত রোগের বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করেছিলেন, এমনকি তার তৎকালীন স্ত্রী মেলিন্ডার কাছ থেকেও।

বছরের পর বছর ধরে বিল গেটস ও তার প্রতিনিধিরা এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ককে খাটো করে দেখিয়ে আসছেন। তিনি আগেই বলেছেন, তারা কেবল ‘কয়েকবার নৈশভোজে’ মিলিত হয়েছিলেন। এই বৈঠক হয়েছিল একটি দাতব্য প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করতে, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

সর্বশেষ অভিযোগের পর বিল গেটসের একজন মুখপাত্র বলেন, এই নথিগুলো কেবল এটিই দেখায় যে গেটসের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক না হওয়ায় এপস্টেইন হতাশ ছিলেন এবং তাকে ফাঁসাতে ও মানহানি করতে তিনি কতদূর যেতে প্রস্তুত ছিলেন।

বিচার বিভাগ গত সপ্তাহে যে লাখো নথি, ইমেইল ও ছবি প্রকাশ করেছে, সেগুলোতে এপস্টেইনের বিস্তৃত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের চিত্র উঠে এসেছে। এতে বহু সেলিব্রিটি, ব্যবসায়ী ও বিশ্বনেতার নাম রয়েছে, যাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ কিছু ক্ষেত্রে ২০০৮ সালে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর কাছ থেকে যৌন সুবিধা নেওয়ার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও অব্যাহত ছিল।

জেফরি এপস্টেইন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে মারা যান। তার বিরুদ্ধে নারী পাচারের মামলা চলছিল।


সূত্র: বিবিসি

জেফরি এপস্টেইনবিল গেটসমেলিন্ডা ফ্রেঞ্চ গেটসএপস্টেইন ফাইলস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise