ইরান যুদ্ধের কারণে আশঙ্কাজনক হারে কমছে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মজুদ

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে একটি লকহিড মার্টিন টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক। ছবি- রয়টার্স
মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক মাসের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুদ কমে যাওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে ইরানে হামলার বর্তমান ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সামরিক পরিকল্পনাকারীরা ভাবছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ এমন তথ্য জানিয়েছে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধকের মজুদ ছিল প্রায় ২ হাজার ৩০০টি। এখন তা কমে ৮২৭টির নিচে নেমেছে।
টার্মিনাল হাই অল্টিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ব্যবস্থার মজুদও একইভাবে কমেছে। ৪৫২টি থেকে তা নেমে ২৭৮টির নিচে এসেছে।
সিএসআইএস সতর্ক করেছে, গুরুত্বপূর্ণ এসব মজুদ আবার পূরণ করতে অন্তত তিন বছর সময় লাগতে পারে। এতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মতো অন্য কোনো এলাকায় নতুন সংকট তৈরি হলে মার্কিন সেনা ও বিদেশে থাকা সামরিক স্থাপনাগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ঘাটতি পূরণে ২০২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৬৭ বিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিলের মধ্যে ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র, নৌবাহিনীর টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং থাড ব্যবস্থা কেনার জন্য বরাদ্দ করেছে পেন্টাগন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরের সামরিক বাজেটের প্রাথমিক প্রস্তাবে চাওয়া অস্ত্রের অর্ধেকের দাম ৬ লাখ ডলার বা তার কম।
সূত্র- আলজাজিরা




