যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল
হামলাকারীর লক্ষ্য ছিল ট্রাম্প ও মার্কিন কর্মকর্তারা

গুলির ঘটনার পর বক্তব্য দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিশানা করতে চেয়েছিলেন হামলাকারী। সম্ভবত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ছিলেন এ তালিকায়।
গতকাল রবিবার এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানের এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ।
তিনি জানাচ্ছিলেন, তদন্ত চলছে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে নিয়ে। তার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ও পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানা গেছে বেশ কিছু তথ্য। এসবের ভিত্তিতে তদন্তকারীরা মনে করছেন, ওই ব্যক্তির লক্ষ্য ছিল প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তবে যোগ করেছেন তিনি, এ ধারণা এখনও প্রাথমিক। হামলাকারীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল।
কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলছিলেন তিনি, শনিবার রাতের ঘটনায় তাকে আহত করা হয়নি। ‘আমার মনে হয় না, তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন তিনি।
ব্ল্যাঞ্চ-এর ভাষ্য, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ট্রেনে করে শিকাগো গিয়েছিলেন তিনি। তারপর শিকাগো থেকে এসেছিলেন ওয়াশিংটন। হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সমিতির নৈশভোজের এক বা দুই দিন আগেই ওঠেছিলেন ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে।
নৈশভোজে ছিলেন প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ব্ল্যাঞ্চসহ প্রশাসনের অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। নিরাপত্তা চেকপয়েন্টের প্রথম স্তর দৌঁড়ে পার হয়ে গিয়েছিলেন হামলাকারী। তবে বলরুমে ঢোকার আগেই তাকে আটক করেছিলেন সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা।
কর্মকর্তার ভাষ্য, হামলার সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন। তবে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট বাঁচিয়ে দিয়েছে তাকে। ঠিক কী ঘটেছিল তা জানতে এখনও গুলির খোসা এবং অন্যান্য প্রমাণ নিয়ে চলছে পরীক্ষা।
ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বলছিলেন, কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে এমন কারণ, যা থেকে মনে হচ্ছে সেই কর্মকর্তাকে গুলি করেছিলেন হামলাকারী। তবে চলমান তদন্তের কারণে চূড়ান্তভাবে কিছুই বলেননি তিনি।
এদিকে দিস উইকের আরেক অনুষ্ঠানে ব্ল্যাঞ্চ জানাচ্ছিলেন, ‘আমার বিশ্বাস, হামলাকারীর বন্দুক থেকেই এসেছে এটি। এখন পর্যন্ত জানা গেছে, সেটি সন্দেহভাজনের অস্ত্র থেকে ছোড়া গুলি।‘
তিনি বলছিলেন, ঘটনাটি ভয়াবহ, তবে প্রেসিডেন্ট, কর্মকর্তারা এবং সাংবাদিকদের ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার সক্ষমতাও প্রমাণ করেছে এটি। দ্রুতই সামলানো গেছে পরিস্থিতি, নিরাপদে আছেন সবাই।





