Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
চা শ্রমিকদের ভরসা খাইরুন
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিদেশ

বিনা বেতনে দেশ গড়ার লড়াইয়ে দক্ষিণ সুদানের শিক্ষকরা

আগামীর সময় প্রতিবেদন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৮
বিনা বেতনে দেশ গড়ার লড়াইয়ে দক্ষিণ সুদানের শিক্ষকরা

গুম্বো বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পল সান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠেন। প্রায় চার মাইল পথ হেঁটে পৌঁছে যান স্কুলে। হাতে বই, চোখে ভবিষ্যতের স্বপ্ন। দিনের শেষে আবার সেই পথ হেঁটেই বাড়ি ফেরেন। কিন্তু বিনিময়ে কোনো বেতন নেই। এক মাস নয়, দুই মাস নয়, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনো পারিশ্রমিক পাননি দক্ষিণ সুদানের বহু শিক্ষক। তবু ক্লাস বন্ধ করেননি তারা। কারণ তাদের কাছে শিক্ষা শুধু চাকরি নয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের ভবিষ্যৎ বাঁচানোর শেষ অস্ত্র। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে দক্ষিণ সুদানের শিক্ষকদের বাস্তবতা। 

দেশটির রাজধানী জুবা শহরের গুম্বো বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পল সান্তিনো। ৬৭ বছর বয়সী এই শিক্ষক প্রতিদিন স্কুলে আসেন, ক্লাসরুম ঘুরে দেখেন, শিক্ষার্থীদের খোঁজ নেন, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাজ তদারক করেন। বাইরে থেকে দেখলে তাকে আর দশজন প্রধান শিক্ষকের মতোই মনে হবে। কিন্তু তার জীবনের বাস্তবতা সম্পূর্ণ আলাদা। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি কোনো সরকারি বেতন পাননি।  শুধু সান্তিনো নন। গুম্বো স্কুলের কোনো শিক্ষক বা কর্মীই নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না। এমনকি দক্ষিণ সুদানের বহু সরকারি স্কুলের শিক্ষকরাও একই সংকটের মধ্যে রয়েছেন। ফলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখন দাঁড়িয়ে আছে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত ত্যাগ ও দায়বদ্ধতার ওপর।

স্বাধীনতার স্বপ্ন থেকে সংকটের বাস্তবতা

দক্ষিণ সুদান বিশ্বের সবচেয়ে নতুন দেশগুলোর একটি। কয়েক দশকের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামের পর ২০১১ সালে সুদান থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি। সে সময় মানুষের আশা ছিল, নতুন দেশ নিজের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়নের ভিত শক্ত করবে। কিন্তু স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি, গৃহযুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক সংকট সেই স্বপ্নকে বারবার ধাক্কা দিয়েছে।

প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষের এই দেশে জনসংখ্যার বড় অংশই শিশু ও তরুণ। কিন্তু শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিনের অবহেলায় স্কুলব্যবস্থা এখন ভয়াবহ চাপে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী শিশুদের মাত্র প্রায় ৪০ শতাংশ স্কুলে ভর্তি হতে পেরেছে। যারা ভর্তি হচ্ছে, তাদেরও অনেকের নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন

এবার কি শেষ হবে প্রথম নারী মহাসচিবের অপেক্ষা

২৩ আগস্ট ২০২৬

‘আমি আমার কাজকে ভালোবাসি’

বিনা বেতনে কেন প্রতিদিন স্কুলে আসেন, এই প্রশ্নের উত্তরে পল সান্তিনোর উত্তর, ‘আমি আমার চাকরিকে খুব ভালোবাসি।’ সরকারি বেতন না থাকায় নিজের সংসার চালাতে খরচ কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্ত্রী ও ছয় সন্তানের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে জীবনযাপন আরও কঠিন হয়েছে। তবু স্কুল ছাড়েননি। কারণ তার বিশ্বাস, শিক্ষাই পারে দক্ষিণ সুদানকে বদলে দিতে।

অনেক সময় শিক্ষার্থীদের পরিবারও সামান্য অর্থ দিয়ে স্কুল চালিয়ে রাখতে সাহায্য করে। সেই টাকাতেই কোনোরকম চলে স্কুলের দৈনন্দিন খরচ। গুম্বো স্কুলে প্রতিটি শ্রেণিতে গড়ে প্রায় ৮৭ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। দুপুরে শিশুদের জন্য গরম খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়। তবে সমস্যার শেষ নেই। স্কুলের মাঠের নলকূপ নষ্ট হয়ে রয়েছে। সেটি থেকে লবণাক্ত পানি পাওয়া যেত। কিন্তু মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থও নেই স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে।

দক্ষিণ সুদানপল সান্তিনো
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    দিনলিপি

    দিনলিপি

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    ভারত যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক

    ভারত যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক