Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় পাকিস্তান

তেল-গ্যাসের ধাক্কায় টালমাটাল পাকিস্তান

ডন
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১৮:২৯
তেল-গ্যাসের ধাক্কায় টালমাটাল পাকিস্তান

সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের মাসিক বাণিজ্য ঘাটতি গত মাসে বেড়ে ৪ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা জুন ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। এতে নাজুক অর্থনীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আমদানিতে তীব্র উল্লম্ফনের কারণে এই বড় বৃদ্ধি ঘটেছে, যা ছাপিয়ে গেছে রপ্তানির দুর্বল পুনরুদ্ধারকে।

মার্চে ২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার থেকে মাসভিত্তিক বাণিজ্য ঘাটতি ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং তেল ও গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় এই বৃদ্ধি আগেই অনুমান করা হয়েছিল। বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা, যা এশিয়ার অর্থনীতিগুলোতে বড় অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, পাকিস্তানের ওপর বেশি প্রভাব ফেলবে— এটি গোপন কিছু ছিল না। কারণ দেশটি আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল এবং এর বৈদেশিক লেনদেনের অবস্থান দুর্বল।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা তুলে ধরে বলেছেন, তেল আমদানি বিল প্রায় তিনগুণ বেড়ে গেছে। এই একটি তথ্যই মোট আমদানি বিলের মাসভিত্তিক ১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধির বড় অংশ ব্যাখ্যা করে। মার্চে ৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার থেকে এপ্রিল মাসে তা বেড়ে ৬ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ২৮ দশমিক ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি। কোনো চাহিদানিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে ঠেকানো সম্ভব ছিল না এমন উল্লম্ফন।

রপ্তানি খাত এই আমদানি বৃদ্ধির প্রভাব কমাতে খুব কমই ভূমিকা রাখতে পেরেছে। যখন আমদানি রপ্তানির তুলনায় তিনগুণ দ্রুতগতিতে বাড়ছে, তখন রপ্তানিতে এক অঙ্কের পুনরুদ্ধার কোনো ভারসাম্য তৈরি করতে পারে না। এমনকি প্রচলিত চাপ কমানোর উপায়গুলোও কাজ করছে না। অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমাতে যেসব ক্ষেত্রে ঋণপত্র খোলার ওপর অনানুষ্ঠানিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তাতেও তেমন কোনো স্বস্তি মিলছে না।

এর কারণ স্পষ্ট: এটি ভোক্তানির্ভর আমদানি বৃদ্ধি নয়, যা প্রশাসনিক পদক্ষেপে ধীর করা যায়। এটি ব্যয়-চালিত বৃদ্ধি।

সামনের দিনগুলো নিয়েও আশাবাদের খুব কম ভিত্তি রয়েছে। জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের সমাধানের কোনো লক্ষণ না থাকায় জ্বালানির দামও উচ্চ অবস্থানে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাকিস্তানের বস্ত্রনির্ভর এবং সীমিত সক্ষমতার রপ্তানি খাত এই সংকট মোকাবিলায় কার্যকর সাড়া দিতে পারবে না।

ইসলামাবাদ যদি দ্রুত বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা অথবা ঋণের মাধ্যমে বৈদেশিক অর্থায়ন নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে অব্যাহত থাকবে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর চাপ।

সম্পাদকীয় থেকে অনূদিত 

বাণিজ্য ঘাটতিপাকিস্তানআমদানি ব্যয়
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise