লেবাননে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশ

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর দক্ষিণ লেবাননে ফিরছেন বাস্তুচ্যুত দুই নারী। ছবি: সংগৃহীত ছবি
লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এ ছাড়া ইরান, পাকিস্তান, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকেও এসেছে একই ধরনের বার্তা।
বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করলেও দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার ও স্থায়ী শান্তির ওপর জোর দিয়েছে ইরান ও পাকিস্তান।
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশ দুটির মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা লেবাননে স্থানীয় সময় রাত ১২টায় কার্যকর হয়।
যুদ্ধবিরতির খবরে উৎসব দেখা গেছে লেবাননে। ইতোমধ্যে দক্ষিণ লেবাননে ফিরতে শুরু করেছেন সেখান থেকে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা। অন্যদিকে ইসরায়েলিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা।
যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বৃহস্পতিবার রাতে বিবৃতিতে জানান, এই যুদ্ধবিরতি মূলত পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া বৃহত্তর সমঝোতারই একটি অংশ।
বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইরানের কড়া অবস্থানের কথা তুলে ধরেন বাঘাই।
‘ইসলামাবাদে আলোচনার শুরু থেকেই ইরান লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে আসছিল।’
অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়ে প্রশংসা করেছেন ট্রাম্পের সাহসী ও বিচক্ষণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার। একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি দেশটির অবিচল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে এই যুদ্ধবিরতির প্রতি জানিয়েছেন তার পূর্ণ সমর্থন।
জাতিসংঘ মহাসচিব এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে প্রক্রিয়াটি সহজতর করতে সহায়তা করার জন্য ধন্যবাদ জানান যুক্তরাষ্ট্রকে।
এদিকে লেবাননে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে সিরিয়া, বাহরাইন, সৌদি আরব ও ওমান।

