Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

‘সরকারি সহায়তা ছাড়া অস্তিত্বই থাকত না টেসলা-স্পেসএক্সের’

এনডিটিভি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১৭:০৫
‘সরকারি সহায়তা ছাড়া অস্তিত্বই থাকত না টেসলা-স্পেসএক্সের’

ছবি: রয়টার্স

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এবং কাগজে-কলমে প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক টেসলা ও স্পেসএক্সের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি অনুদান, কর-সুবিধা, নীতিগত সহায়তা ও ঋণসহ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সরকারি সহায়তা পেয়েছে তার কোম্পানিগুলো।

সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, শুরুর দিকে স্পেসএক্স ৫০ কোটি ডলারের বেশি সরকারি অনুদান ও চুক্তি পেয়েছিল। অন্যদিকে ঋণ, বৈদ্যুতিক গাড়ির কর-সুবিধা, সরকারি চুক্তি ও নীতিগত সহায়তা থেকে লাভবান হয়েছে টেসলা।

বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গারবার কাওয়াসাকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং টেসলার প্রাথমিক বিনিয়োগকারী রস গারবার সিএনএনকে বলছিলেন, ‘সরকারি সহায়তা না থাকলে টেসলা ও স্পেসএক্সের অস্তিত্বই থাকত না।’

বর্তমানে স্পেসএক্সের বাজারমূল্য কয়েকশ বিলিয়ন ডলার হলেও শুরুর দিকে পাওয়া ৫০ কোটির বেশি ডলার তুলনামূলকভাবে ছোট অঙ্ক বলে মনে হতে পারে। তবে সেই অর্থ কোম্পানিটি পেয়েছিল এমন সময়ে, যখন এটি ছিল একটি নবীন প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতে নিজেদের অবস্থান গড়ে তুলতে সংগ্রাম করছিল।

২০০৬ সালে নাসা স্পেসএক্সকে ফ্যালকন রকেট ও ড্রাগন মহাকাশযান তৈরির জন্য ২৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারের কার্যাদেশ দেয়। সে সময় নাসা স্পেস শাটল কর্মসূচি বন্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী ও সরঞ্জাম পাঠানোর নতুন ব্যবস্থা খুঁজছিল।

২০০৮ সালে স্পেসএক্স প্রায় অর্থশূন্য হয়ে পড়েছিল। তখন নাসা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পণ্য পরিবহনের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ১৬০ কোটি ডলারের চুক্তি দেয়। দ্য ন্যাশনাল স্পেস সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে মাস্ক বলেছিলেন, ‘বাস্তবতা হলো, নাসার সহায়তা ছাড়া আমরা স্পেসএক্স শুরু করতে পারতাম না এবং আজকের অবস্থানে পৌঁছাতেও পারতাম না।’

অনেকের মতে, শুরুর দিকের এই সরকারি অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানটিকে টিকে থাকতে, বিনিয়োগকারী আকর্ষণ করতে এবং আজকের মহাকাশ জায়ান্টে পরিণত হতে সাহায্য করেছে।

টেসলাও শুরুর দিকে সরকারি সহায়তা পেয়েছিল। ২০১০ সালে কোম্পানিটি ২ হাজারের কম গাড়ি বিক্রি করেছিল এবং তখনো ছোট বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা ছিল। ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ টেসলাকে ৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের স্বল্পসুদে ঋণ দেয়। এই অর্থ টেসলার প্রথম বড় বাণিজ্যিক সাফল্য মডেল এস সেডান তৈরিতে সহায়তা করে।

এ ছাড়া সরকারি নীতিও টেসলার বিক্রি বাড়াতে সহায়তা করেছে। বহু বছর ধরে বৈদ্যুতিক গাড়ির ক্রেতারা সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত ফেডারেল কর-সুবিধা পেতেন। এতে টেসলা কেনার খরচ কমে যায় এবং আরও বেশি মানুষ বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারে আগ্রহী হন। ২০১৯ সালে এই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগে আনুমানিক ৩৪০ কোটি ডলারের ফেডারেল কর-সুবিধা পেয়েছিলেন টেসলা ক্রেতারা।

টেসলার সবচেয়ে বড় সরকারি সুবিধা এসেছে নির্গমন-সংক্রান্ত নীতিমালা থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব গাড়ি নির্মাতা নির্গমন মান পূরণ করতে ব্যর্থ হতো, তাদের সেই মান পূরণকারী কোম্পানির কাছ থেকে ক্রেডিট কিনতে হতো। টেসলা শুধু বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি করায় বিক্রির জন্য অতিরিক্ত ক্রেডিট ছিল তাদের।

ফলে পরিবেশগত নিয়ম মেনে চলতে প্রচলিত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো টেসলাকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। ২০০৮ সালে এই ক্রেডিট বিক্রি টেসলার মোট আয়ের প্রায় ২৫ শতাংশ ছিল এবং পরবর্তী পাঁচ বছরেও মোট আয়ের প্রায় ১০ শতাংশ ছিল এই খাত থেকে।

২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংক্রান্ত ক্রেডিট বিক্রি করে ২০০ কোটির বেশি ডলার আয় করেছে টেসলা।

টেসলা এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই ধরনের ক্রেডিট আমাদের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলেছে, সে বিষয়ে আমরা অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং আমরা আলাদাভাবে মোটরগাড়ি নিয়ন্ত্রক ক্রেডিট উপস্থাপন করেছি।’

স্পেসএক্স প্রাথমিক শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর কাগজে-কলমে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হন মাস্ক। কোম্পানিটির শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য ছিল প্রতি শেয়ার ১৩৫ ডলার। তবে প্রথম দিনের লেনদেন শেষে তা বেড়ে ১৬০ দশমিক ৯৫ ডলারে পৌঁছায়। এতে কোম্পানিটির মোট বাজারমূল্য দাঁড়ায় ২ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ডলার।

প্রাথমিক শেয়ারমূল্যে স্পেসএক্সে মাস্কের অংশীদারিত্বের মূল্য ছিল প্রায় ৮৬ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। প্রথম দিনের লেনদেন শেষে শেয়ারের দাম বাড়ায় তার অংশীদারিত্বের মূল্য বেড়ে প্রায় ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।

ইলন মাস্কটেসলাস্পেসএক্সসরকারি সহায়তা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise