অভিজিৎ দীপকে
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন?

ছবি: রয়টার্স
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সমাবেশে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দাবি করেন, দেশের যুবসমাজ আর ভয় পায় না এবং ভবিষ্যতেও ভয় পাবে না। সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো হলেও সমস্যার সমাধানের পরিবর্তে আন্দোলনের কণ্ঠস্বর দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন অভিজিৎ।
শনিবার সকালে আমেরিকা থেকে দিল্লিতে পৌঁছান অভিজিৎ দীপকে। বিমানবন্দর থেকেই তিনি সমর্থকদের শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। পরে জন্তর মন্তরে জড়ো হওয়া সমর্থকদের উদ্দেশে ভালোবাসা, শান্তি ও অহিংসার পথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা দীপকে উল্লেখ করেন, গত এক মাস ধরে তারা শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে আসছেন। তার অভিযোগ, দাবি নিয়ে আলোচনার বদলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট সরানো, অ্যাকাউন্টের ওপর নজরদারি চালানো এবং বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
‘আর কতদিন হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি চলবে? দেশের যুবকদের প্রকৃত সমস্যার কথা কবে শোনা হবে?’— এমন প্রশ্ন তুললেন অভিজিৎ।
বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয় দিল্লি পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের। অনুমতি নিয়ে প্রাথমিক অনিশ্চয়তা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।এদিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাসংস্কারক ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রীর জবাবদিহির দাবি জানিয়ে তিনি আগেই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছিলেন।
বিক্ষোভস্থলে ছাত্র-যুবকদের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদেরও দেখা যায়। তাদের হাতে ছিল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত ব্যানার। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, নীট, সিইউইটি, সিবিএসই ও এসএসসি-সহ বিভিন্ন পরীক্ষা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগে লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সেই কারণেই আন্দোলনের পথে নেমেছেন তারা।







