স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে সরাতে চায় নিজ দলের এমপিরাই

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এবং লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমারকে সরাতে তার নিজ দলের এমপিদের মধ্যেই চলছে প্রবল অসন্তোষ ও তৎপরতা। আগামী৭ মে অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির সম্ভাব্য ভরাডুবির পূর্বাভাসের পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি হয়েছে এ চাপ। বিশেষ করে করনীতি, সরকারি ব্যয় এবং অভিবাসন ইস্যুতে স্টারমারের অবস্থান নিয়ে একাংশের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।
কয়েকজন ব্যাকবেঞ্চ এমপি প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন স্টারমারের এবং দলের ভেতরে নেতৃত্বের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছে।
দলের কয়েকজন ব্যাকবেঞ্চ এমপি দ্য টেলিগ্রাফকে বলেছেন, ‘কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে লেবার পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা পিটার ম্যান্ডেলসনের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এছাড়া তাকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সময় নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়া ঘিরে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। এ ইস্যুতে কিয়ার স্টারমারের ভূমিকা ব্যর্থ।
একজন জ্যেষ্ঠ লেবার এমপি বলেন, ‘নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হলে তা দ্রুত শেষ করতে হবে। মাসের পর মাস জল্পনা আর নেতৃত্বের লড়াই চলতে পারে না। এতে দেশের জন্য বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।’
দলের ভেতরে আশঙ্কা, ‘স্টারমার যদি আগামী ১৩ মে কিংস স্পিচ পর্যন্ত টিকে যান, তবে নেতৃত্ব পরিবর্তনের গতি কমে যেতে পারে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর দুর্বল অবস্থানের কারণে মে মাসে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও আপাতত স্থগিত।’
নেতৃত্বের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামের নাম আবারও আলোচনায় এসেছে, যদিও তিনি বর্তমানে এমপি নন। তাকে দ্রুত ব্রিটিশ সংসদে ফিরিয়ে আনতে কোনো এমপি পদত্যাগ করতে পারেন, এমন আলোচনাও চলছে।
জেএল পার্টনার্সের জরিপ অনুযায়ী, আগামী ৭ মে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে লেবার পার্টির ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল বয়ে আনতে পারে।



