আলোচনায় অচলাবস্থা, ফের বাড়ল তেলের দাম

হরমুজ প্রণালীতে তেলের ট্যাঙ্কার এবং পণ্যবাহী জাহাজ। পুরনো ছবি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার আশা ভেস্তে যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে তেলের দাম। রবিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে যায় দুই শতাংশ। বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ১০৬.৭ ডলারে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন আলজাজিরা।
অচলাবস্থা কাটিয়ে ঊর্ধ্বমুখী এশিয়ার শেয়ারবাজার। সোমবার দিনের শুরুতেই জাপানের বেঞ্চমার্ক নিক্কেই ২২৫ বেড়েছে ০.৯ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়ার সূচক কসপি বেড়েছে ১.৫ শতাংশ।
এর আগে শুক্রবার রাতে পাকিস্তানে যান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল। বৈঠক হয় পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে। সে সময় ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানে যাবেন বলেও জানানো হয়। হোয়াইট হাউজ জানায়, শনিবার ‘ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা করবেন’ তারা। তবে তেহরান জানায়, ‘ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বৈঠক হওয়ার পরিকল্পনা নেই।’
ইরান আলোচনায় অস্বীকৃতি জানানোর পর মার্কিন কূটনীতিকদের পাকিস্তান সফর বাতিল করা হয়। পাকিস্তান ত্যাগ করেন ইরানের প্রতিনিধিরাও। আরাঘচি যান রাশিয়ায়, আজ বৈঠক করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে।
আলোচনার মতো হরমুজ প্রণালিতেও বিরাজ করছে অচলাবস্থা।বন্ধ হয়ে আছে বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পথ যেখান দিয়ে পরিবহন করা হতো বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহের এক পঞ্চমাংশ। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্বের জ্বালানির বাজারে।
জাতিসংঘের তথ্য বলছে, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালানো আগে এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে গড়ে ১২৯টি জাহাজ চলাচল করত। সেই সংখ্যা এখন একদম তলানিতে। সামুদ্রিক গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম উইন্ডওয়ার্ডের তথ্য বলছে, শনিবার হরমুজ প্রণালি পার করেছে মাত্র ১৯টি বাণিজ্যিক জাহাজ।



