Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

দাম কমাতে বাজারে রেকর্ড মজুত তেল ছাড়ার প্রস্তাব আইইএর

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ১৯:২৫
দাম কমাতে বাজারে রেকর্ড মজুত তেল ছাড়ার প্রস্তাব আইইএর

সংগৃহীত ছবি

সরবরাহ ঘাটতি ও ইরান যুদ্ধের ফলে তৈরি হওয়া সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। সংস্থাটি তার সদস্য দেশগুলোকে প্রায় ৪০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার অনুরোধ জানাবে। এটি হতে যাচ্ছে ইতিহাসের রেকর্ড মাত্রার সরকারি তেলের মজুত বাজারে ছাড়ার ঘোষণা।

এর আগে, ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সংকট মোকাবিলায় প্রায় ১৮ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ে আইইএ। এবার তার দিগুণের বেশি তেলের মজুত ছাড়তে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে আইইএর সদস্য দেশ ৩২টি। এ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে তা হবে সংস্থাটির মোট সরকারি মজুতের এক-তৃতীয়াংশ এবং আগের যেকোনো বৃহত্তম তেল ছাড়ার রেকর্ডের দ্বিগুণের বেশি। এ তথ্য জানা গেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে।

পরিকল্পনার শর্তানুসারে, বিশ্ববাজারে এ পরিমাণ তেলের মজুত ছাড়ার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো ৯০ দিন পর্যন্ত সময় পাবে। কারণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল বাণিজ্য বন্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

সত্তরের দশকে মধ্যপ্রাচ্য জ্বালানি সংকটের গঠন করা হয় আইইএ। নিয়ম অনুযায়ী জোটের সদস্যদের অন্তত ৯০ দিনের অপরিশোধিত তেলের মজুত রাখা বাধ্যতামূলক যা কোনো ঘাটতির সময় বাজারে ছাড়া যায়।

প্যারিস-ভিত্তিক সংস্থাটি বুধবার সদস্যগুলোকে সুপারিশ করবে বলে জানা গেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ঘণ্টাখানেক পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সভাপতিত্বে জি-৭ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জি-৭ বুধবার সকালে জানিয়েছে, তারা সরবরাহ সমস্যা এবং বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় কৌশলগত তেল মজুত ব্যবহারের নীতিগত সমর্থন দিচ্ছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বাজার সংকট তৈরি করেছে। এ সংকট মোকাবিলায় আইইএ তার সদস্য দেশগুলোর জ্বালানি কর্মকর্তাদের নিয়ে মঙ্গলবার জরুরি বৈঠক করে। সেখানে জরুরি তেলের মজুত বাজারে ছাড়া হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে জি-৭ এর জ্বালানি মন্ত্রীরা ও আইইএ প্রধান একই দিনে আলাদা একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেন।

তবে, বুধবারের বৈঠকে একজন আইইএ সদস্যও যদি আপত্তি জানায় তবে তেলের মজুত বাজারে ছাড়তে দেরি হতে পারে।

আইইএ সদস্যদের কাছে বর্তমানে মোট ১২০ কোটি ব্যারেলের বেশি সরকারি জরুরি তেল মজুত রয়েছে। আরও ৬০ কোটি ব্যারেল তেল সরকারি বাধ্যবাধকতায় শিল্পখাত মজুত করে রেখেছে সংস্থাটি।

গত বছরের শেষে যুক্তরাজ্যের কাছে ১২০ দিনের তেল মজুত ছিল। তবে এর পুরোটাই সরকারের সঙ্গে চুক্তির অধীনে বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ছিল। এই মজুতগুলো রিফাইনারি, অয়েল টার্মিনাল, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও উত্তর সাগরের অফশোর ফিল্ডগুলোতে রাখা হয়। এই মজুতের প্রায় ১৫ শতাংশ নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম ও জার্মানির মতো দেশগুলোতে রাখা আছে।

গত মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কোনো জি-৭ দেশ এখন পর্যন্ত তেলের ভৌত সংকটের সম্মুখীন না হলেও, অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপকভাবে ওঠানামা করেছে। সোমবার এর দাম ব্যারেল প্রতি ১১৯.৫০ ডলারে উঠেছিল, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল এবং সমুদ্রবাহিত গ্যাস বিশ্ববাজারে পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাঙ্কার ইরানের উপকূলের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচল করে।

জি-৭ দেশগুলো বাজার স্থিতিশীল করতে হস্তক্ষেপ করবে— এমন খবরের পর তেলের দাম বর্তমানে ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারে নেমে এসেছে।

মজুত কাজে লাগানোসহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্রিয় পদক্ষেপ বাস্তবায়নে নীতিগতভাবে সমর্থন দিয়েছেন জি-৭ দেশগুলোর মন্ত্রীরা। ‘আইইএর সঙ্গে মিলে আমরা জ্বালানি বাজারের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি। জি-৭ এর ভেতরে ও আমাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছি।’

ইসরায়েল-ইরান সংঘাতজ্বালানি তেলআইইএ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise