Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় এশিয়া

দেশ ছাড়তে সাগর পাড়ি

  • দক্ষিণ কোরিয়া যেতে ৯ জনের ১০ বছরের পরিকল্পনা
অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০১
দেশ ছাড়তে সাগর পাড়ি

উত্তর কোরিয়ার দুই ভাই কিম ই-হিয়ক ও কিম ইল-হিয়ক। ছবি: সংগৃহীত

শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও ঘটনাটি সত্য। উত্তর কোরিয়া থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালানোর পরিকল্পনা করতে এক দশক ব্যয় করেছিলেন দুই ভাই। এটি ছিল তাদের প্রয়াত বাবার কল্পিত এক সাহসী পরিকল্পনা। উত্তর কোরিয়ায় কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে না পেয়ে তিনিই ছেলেদের উৎসাহ দেন সে দেশ ছাড়তে।

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর একটি মাছ ধরার নৌকায় পরিবারের ৯ সদস্য ইয়েলো সাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছান দক্ষিণ কোরিয়ায়। ভাইদের একজন কিম ইল-হিয়ক সিএনএনের কাছে তুলে ধরেছেন পালানোর সেই রুদ্ধশ্বাস ঘটনা।

৬ মে, ২০২৩। তিন দিনের বসন্তের ঝড় তাণ্ডব চালাচ্ছিল পিত সাগরের ওপর। ঝড়ের কারণে তাদের চলাচল আড়াল করতে হচ্ছিল সুবিধা। দুই ভাই কিম ইল-হিয়ক এবং কিম ই-হিয়ক তাদের সাত আত্মীয়কে করেন একত্রিত। তাদের মধ্যে এমন নারীও ছিলেন, যারা সদ্য এসেছেন একটি মাইনফিল্ড পেরিয়ে। তারা শেষবারের মতো করছিলেন তাদের পথ নির্ধারণ।

যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন কিম ই-হিয়কের দুই সন্তান, যাদের বয়স যথাক্রমে ৪ এবং ৬ বছর। বস্তার মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল তাদের। কিম ইল-হিয়কের স্ত্রী ছিলেন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অনিচ্ছা সত্ত্বেও এ অভিযানে যোগ দিতে সম্মত হন তিনি।

এই দুই ভাই পালানোর পরিকল্পনা করতে ১০ বছর ব্যয় করেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছানোর কয়েক মাস পর বদলে যায় তাদের জীবনের সবকিছু। পরিবারের ৯ সদস্য একটি ছোট মাছ ধরার নৌকায় উত্তর কোরিয়া থেকে পালানোর পর নিরাপত্তারক্ষীদের চোখে ধুলো দিয়ে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সঙ্গে সংগ্রাম শেষে পৌঁছান দক্ষিণ কোরিয়ায়।

আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিম ই-হিয়ক স্থানীয় কর্মকর্তাদের হাত করেন ঘুষের মাধ্যমে। এ জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই সামুদ্রিক অঞ্চলে নৌকায় কাজ করেন এবং পালানোর পরিকল্পনা সাজান।

দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন তাদের পালানোর ঘটনার বিস্তারিত। উত্তর কোরিওদের যে কষ্টের কথা কিম বর্ণনা করেছেন, তা সিএনএনকে জানানো বহু পলাতকের বিবরণের সঙ্গে মিলে যায়।

সেই রাতে পালিয়ে গিয়েছিলেন ৯ জন। কিন্তু এখন বেঁচে আছেন আটজন। উত্তর কোরিয়া থেকে সবচেয়ে সাহসী পালানোর ঘটনাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

দক্ষিণ কোরিয়াউত্তর কোরিয়া
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise