চীন-ভারত সীমান্তে শান্তি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভারত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
চার বছর আগের রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাতের ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই হিমালয়ের দুর্গম পাহাড়ে ফের মুখোমুখি ভারত ও চীনের সেনারা। সীমান্তে টহল দিতে গিয়ে দুই দেশের সেনাদের মুখোমুখি হওয়ার খবরের মধ্যেই এবার সতর্কবার্তা দিল নয়াদিল্লি। ভারতের বার্তা, চীনের সঙ্গে বিতর্কিত সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা দুই দেশের সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এশিয়ার দুই দেশ ২০২০ সালের প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। এর মধ্যেই এক সপ্তাহেরও কম সময়ে দ্বিতীয়বারের মতো এমন মন্তব্য করল নয়াদিল্লি। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বললেন, ‘ভারত ও চীনের সীমান্তবর্তী এলাকাসংক্রান্ত বিষয়ে আমরা সব সময়ই চীনা পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় জোর দিয়ে বলে এসেছি, আমরা এসব বিষয়কে অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে বিবেচনা করি।’
দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বললেন, ‘আমরা এটাও জানিয়েছি যে সীমান্ত পরিস্থিতি আমাদের বৃহত্তর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলবে।’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনের পর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে, জুলাইয়ের শেষ দিকে অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার তিব্বত সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত গ্রাম তাকসিংয়ের কাছে ভারত ও চীনের সেনাদের টহলদল মুখোমুখি হয়েছিল।
চীন অরুণাচল প্রদেশকে, যাকে তারা জাংনান বলে উল্লেখ করে, দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে। ভারত বলছে, অরুণাচল প্রদেশ তাদের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ব হিমালয়ের ওই ঘটনায় ভারত নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডের প্রায় ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার ভেতরে দুই দেশের সেনারা মুখোমুখি হয়েছিল। পরে চীনা সেনারা সেখান থেকে সরে যায়। তবে আগস্টের শুরুতে চীনা সেনারা আবার ওই এলাকায় ফিরে গিয়ে কয়েকটি তাঁবু স্থাপন করে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।




