Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

এপস্টেইন নথিতে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ ইঙ্গিত: দাবি জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞদের

রয়টার্স
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৯
এপস্টেইন নথিতে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ ইঙ্গিত: দাবি জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞদের

সংগৃহীত ছবি

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ কর্তৃক নিযুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেলের মতে, প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপেস্টিন–সংক্রান্ত লাখ লাখ নথি একটি ‘বৈশ্বিক অপরাধী চক্রের’ অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেয়, যার কর্মকাণ্ড আইনি সংজ্ঞা অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথিতে যে অপরাধগুলোর বর্ণনা রয়েছে, সেগুলো শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী বিশ্বাস, বর্ণবাদ, দুর্নীতি ও চরম নারীবিদ্বেষের প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয়েছে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অপরাধ নারী ও কিশোরীদের পণ্য হিসেবে ব্যবহার এবং মানবিক মর্যাদা হরণের চিত্র তুলে ধরে। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে এসব নৃশংসতার ব্যাপ্তি, প্রকৃতি, পদ্ধতিগত চরিত্র এবং আন্তঃদেশীয় বিস্তার এতটাই গুরুতর যে, এর কিছু অংশ যুক্তিসঙ্গতভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সীমা অতিক্রম করতে পারে।’

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, নথিতে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্বাধীন, পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি কীভাবে এত দীর্ঘ সময় ধরে এসব অপরাধ সংঘটিত হতে পেরেছে, সে বিষয়েও অনুসন্ধান শুরু করা উচিত।

মার্কিন বিচার বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

নভেম্বরে কংগ্রেসে উভয় দলের ব্যাপক সমর্থনে পাস হওয়া একটি আইনে এপস্টেইন–সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ‘গুরুতর অনুগত্য ব্যর্থতা ও ত্রুটিপূর্ণ সম্পাদনা (রেডাকশন)’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যার ফলে ভুক্তভোগীদের সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত নথিতে এক হাজার ২০০–এর বেশি ভুক্তভোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

তারা বলেন, ‘তথ্য পুরোপুরি প্রকাশে অনীহা বা তদন্তের পরিসর না বাড়ানোয় অনেক বেঁচে থাকা ব্যক্তি পুনরায় মানসিক আঘাত পেয়েছেন এবং তারা এটিকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক গ্যাসলাইটিং’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।’

বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, ২০০৮ সালে অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোরীকে পতিতাবৃত্তিতে প্রলুব্ধ করার অভিযোগে দোষ স্বীকারের আগে ও পরে—রাজনীতি, অর্থনীতি, একাডেমিয়া ও ব্যবসা জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে এপস্টেইনের যোগাযোগ ছিল।

২০১৯ সালে অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন পাচারের ফেডারেল অভিযোগে পুনরায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর কারাগারের কক্ষে তাকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এপস্টেইনএপস্টেইন ফাইলস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise