Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ০০:৪৯
আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ

আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমতার প্রশ্নে দীর্ঘদিনের সংগ্রামকে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ই দিবসটির মূল বার্তা।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস শ্রমজীবী নারীদের অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকরা দৈনিক ১২ ঘণ্টা কাজের পরিবর্তে আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ন্যায্য মজুরি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সে সময় অনেক নারী শ্রমিক গ্রেপ্তার  হন এবং নির্যাতনের শিকার হন।

এরপর ১৮৬০ সালের একই দিনে গঠিত হয় ‘নারী শ্রমিক ইউনিয়ন’। পরে ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রায় দেড় হাজার নারী শ্রমিক একই দাবিতে আবারও আন্দোলনে নামেন এবং শেষ পর্যন্ত আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টার অধিকার আদায় করেন।

নারী শ্রমিকদের এই সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে জার্মান নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি নারী অধিকার আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে পালিত হতে থাকে।

জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক নারীবর্ষ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন শুরু করে। পরে ১৯৭৭ সালে সংস্থাটি দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

বর্তমানে দিনটি শুধু উদযাপনের নয়; বরং নারীর অধিকার, সমতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নতুন করে স্মরণ করার দিন হিসেবেও বিবেচিত হয়। জাতিগত, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে নারীর অর্জনকে মর্যাদা দেওয়ার আহ্বানই এই দিনের মূল বার্তা।

বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে নারীরা তাদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করেন এবং আরও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী

দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি বলেন, সরকার নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সাইবার বুলিং ও অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেছেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয় যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং সমাজের সব ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো, মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।

নারী দিবসের কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য কয়েকজন নারীকে ‘অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হবে।

এছাড়া সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠনও দিবসটি উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় ব্যাংকিং খাতেও নারী দিবস উপলক্ষে বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক নারী গ্রাহকদের জন্য সচেতনতামূলক আলোচনা এবং নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা বিষয়ক আয়োজন করছে।

অন্যদিকে শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে "নতুন সরকার, পুরুষতন্ত্র ও নারী অধিকারের লড়াই” শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ১০টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে একটি র‍্যালিও অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিশেষ আলোচনা সভা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এসব অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল নারীরা তাদের সংগ্রাম, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের কথা তুলে ধরবেন।

নারী দিবস
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise