Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় আফ্রিকা

ক্ষুধাই যুদ্ধাস্ত্র

একবেলা খাবারই যেখানে সম্বল

আলজাজিরা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:০২
একবেলা খাবারই যেখানে সম্বল

দুর্ভিক্ষ সীমার প্রায় দ্বিগুণ তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের হার

বিশ্ব যখন সমৃদ্ধির গল্প শোনায়, ঠিক তখন এক বেলা খেয়েই দিন কাটছে তাদের। আফ্রিকার দেশ সুদানের চিত্র এমনই। খাদ্য সংকট সেখানে এতটাই বেশি খেতে পাওয়াটাও যেন টিকে থাকার লড়াই।

বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও) বলছে, গত বুধবার তিন বছর পার হলো সুদান সেনবাহিনী ও র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যকার যুদ্ধের। এই যুদ্ধই জন্ম দিয়েছে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ। সঙ্গে কয়েক মিলিয়ন মানুষকে করেছে ঘরছাড়া, যা রূপ নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মানবিক সংকটে।

অ্যাকশন এগেইন্সট হাঙ্গার, কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি, মারসি কর্পস এবং নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল যৌথ প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে এ তথ্য।

তারা বলছে, ‘সহিংসতা, বাস্তুচ্যুতি এবং অবরোধ— সুদানের খাদ্য ব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে, যার ফলে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক দুর্ভিক্ষ।’

প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অন্তত ১০ লক্ষাধিক পরিবারের টেবিলে জুটছে কেবল এক বেলার খাবার। নর্থ দারফুর ও সাউথ কোরদোফান প্রদেশের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ।’

‘কখনো কখনো তাদের এক বেলা খাবারও জোটে না’। ফলে টিকে থাকতে বহু মানুষ বাধ্য হচ্ছে গাছের পাতা বা পশু খাদ্য খেতে।

এনজিওগুলো জানিয়েছে, সম্মিলিতভাবে খাবার তৈরি ও বিতরণের জন্য স্থাপিত লঙ্গরখানাগুলো সীমিত খাদ্য সরবরাহ বাড়াতে হিমশিম খাচ্ছে, কারণ কমে আসছে তাদের যোগান।

তারা আরও জানায়, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তন এই সংকট আরও তীব্র করছে।

দুর্ভিক্ষের কথা নাকচ করছে সরকার

সেনা-সমর্থিত সুদান সরকার অস্বীকার করছে দুর্ভিক্ষের অস্তিত্ব। অন্যদিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য দায় অস্বীকার করছে আরএসএফ।

জাতিসংঘ ব্যাপক নৃশংসতা এবং জাতিগত বিদ্বেষে সৃষ্ট সহিংসতার খবর দিয়েছে। নভেম্বরে, বৈশ্বিক ক্ষুধা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা প্রথমবারের মতো নিশ্চিত করেছে আল-ফাশের এবং কাদুগলিতে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির কথা।

ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ-সমর্থিত ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশনের অনুসন্ধানে দেখা যায়, উম বারু এবং কারনোইতে তীব্র অপুষ্টি ও দুর্ভিক্ষ সীমা অতিক্রম করেছে, যেখানে পাঁচ বছরের কম বয়সী তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের হার ছিল দুর্ভিক্ষ সীমার প্রায় দ্বিগুণ।

সুদানের কৃষক, ব্যবসায়ী এবং মানবিক সহায়তাকর্মীদের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি ওই প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে, কীভাবে সুদানের যুদ্ধ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এর কারণ হলো কৃষিকাজে বিঘ্ন ঘটা এবং যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে অনাহারকে ব্যবহার করা, যার মধ্যে খামার ও বাজার ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করাও অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন নারীরা। কারণ মাঠে যেতে, বাজারে যেতে বা পানি সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা সম্মুখীন হন ধর্ষণ ও হয়রানির। পুরুষ-প্রধান পরিবারের তুলনায় নারী-প্রধান পরিবারগুলোয় খাদ্য সংকটে পড়ার সম্ভাবনা তিনগুণ বেশি।

সুদানদুর্ভিক্ষ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise