নদীভাঙনে
একে একে বিলীন হচ্ছে
বসতভিটা, কৃষিজমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। নদীর পাড়
ধসে
ঘরবাড়ি
চলে
এসেছে
ভাঙনের
মুখে,
কোথাও
ঝুঁকিতে রয়েছে
বাজার।
জেলার ৬৮০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের
মধ্যে ৪১ দশমিক ১৮
কিলোমিটারই এখন ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ
আগেভাগে এসব বাঁধ সংস্কারের
জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নেই পানি উন্নয়ন
বোর্ডের (পাউবো)। ফলে বাঁধ
ভাঙার উপক্রম হলে জরুরি মেরামত
করেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এতে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি,
মাছের ঘের ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান
হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন উপকূলের
মানুষ।
পাউবোর তথ্য বলছে, পাউবো বিভা...