ফ্রান্সিসকো কোনসিকাও
আমরা রোনালদোকে বল দিতে বাধ্য নই

পর্তুগালের তরুণ উইঙ্গার ফ্রান্সিসকো কোনসিকাও স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, দলের প্রতিটি খেলোয়াড় স্বাভাবিক খেলাটা খেলেন, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে বল দেওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা তাদের নেই। ২০২৬ বিশ্বকাপে কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করার পর পর্তুগাল ও রোনালদোকে নিয়ে যে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, তার জবাবে রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেছেন ২৩ বছর বয়সী এই জুভেন্টাস তারকা।
ফ্লোরিডার পাম বিচে অনুশীলনের আগে কোনসিকাও বলেছেন, ‘আমরা রোনালদোকে বল দিতে বাধ্য নই, এই প্রয়োজনীয়তাও নেই। আমি নিজের কথা বলতে পারি— যে মুহূর্তে যাকে বেশি ফাঁকা মনে হয়, তাকেই বল দিই। মাঠে এত ভাবার সময় থাকে না কে পাশে আছেন। সব কিছু হয় সহজাতভাবে, সেকেন্ডের হাজার ভাগের এক ভাগে। রোনালদো এখানে সাহায্য করতে এসেছেন, দলের যেকোনো খেলোয়াড়ের মতোই।’
গোল করার ক্ষমতার বিচারে রোনালদোকে অতুলনীয় বললেও কোনসিকাও তার প্রভাবকে আরও বড় পরিসরে দেখেন, ‘গোল করার ক্ষেত্রে ক্রিস্তিয়ানোর মতো কেউ নেই বলেই আমি মনে করি। তবে সে আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা শুধু ক্যারিয়ারের কারণেই নয়— ৪১ বছর বয়সেও প্রতিটি অনুশীলনে সে যে ক্ষুধা দেখায়, যেন এটাই তার শেষ সেশন। সেটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় উদাহরণ। সে এত কিছু জিতেও যদি এভাবে মাঠে নামে, তাহলে তার সাফল্যের ছিটেফোঁটা পেতে হলে আমাদের ক্ষুধা আরও বেশি হতে হবে।‘
সমালোচনার চাপ প্রসঙ্গে কোনসিকাও বলেছেন, ‘আমরা সবাই বড় ক্লাবে খেলি, চাপে অভ্যস্ত। কিন্তু খারাপ ফল হলে আমরাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাই। পরের ম্যাচে সেরাটা দিয়ে জবাব দেওয়াই আমাদের কাজ।’
পর্তুগাল হিউস্টনে মঙ্গলবারের গ্রুপ ‘কে’ ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু করেছে। প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান। রোবার্তো মার্তিনেসের দল এই ম্যাচে প্রথম জয়ের সন্ধানে মাঠে নামবে।
কোনসিকাও কঙ্গো ম্যাচে বিশ্বকাপে অভিষেক করেছেন। ঠিক ২৪ বছর আগে তার বাবা সার্জিও কোনসিকাও দক্ষিণ কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন।




