বন্ধুরাই আজ শত্রু

ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও উত্তেজনাকর লড়াই আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ। তবে এবার মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচটি বাড়তি আকর্ষণ পাচ্ছে আরেকটি কারণে। আর্জেন্টিনার স্কোয়াডের বেশ কয়েকজন ফুটবলার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেন বা খেলেছেন। তাই ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড়ই তাদের বর্তমান কিংবা সাবেক ক্লাব সতীর্থ। তাদের ভেতর গড়ে উঠেছে বন্ধুত্বও। সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনা দলে এমন ১০ ফুটবলার আছেন, যাদের প্রিমিয়ার লিগের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ইংলিশ ফুটবলে সবচেয়ে অভিজ্ঞ আর্জেন্টাইনদের একজন গোলকিপার এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেস। অ্যাস্টন ভিলায় তিনি খেলছেন ইংল্যান্ডের এজরি কোনসা, মরগান রজার্স ও অলি ওয়াটকিনসের সঙ্গে। এ ছাড়া মার্কাস রাশফোর্ডের সঙ্গেও খেলেছেন। আর্সেনালে থাকার সময় তার সতীর্থ ছিলেন বুকায়ো সাকা।
টটেনহামের ডিফেন্সের অন্যতম ভরসা ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ক্লাবে দীর্ঘদিন খেলেছেন হ্যারি কেইনের সঙ্গে। ডেজেড স্পেন্সও তার বর্তমান সতীর্থ। তাই সেমিফাইনালে রোমেরো-কেইন দ্বৈরথ বিশেষ নজর কাড়বে। এ ছাড়া টটেনহামে থাকার সময় হ্যারি কেইনের সঙ্গে ৬১টি ম্যাচ খেলেছেন জিওভানি লো সেলসো।
চোটের কারণে মৌসুমের শেষভাগ মিস করলেও ইউনাইটেডে কোবি মাইনু, মার্কাস রাশফোর্ড এবং গোলকিপার ডিন হেন্ডারসনের সঙ্গে খেলেছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেস।
চেলসিতে এনসো ফের্নান্দেসের সতীর্থ ছিলেন রিস জেমস, ট্রেভো চ্যালোবা ও নোনি মাদুয়েকে। এবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তাদের বিপক্ষেই খেলবেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। লিভারপুল থেকে এবার ইংল্যান্ড দলে কেউ না থাকলেও ম্যাক আলিস্টার আগে খেলেছেন জ্যারেল কোয়ানসাহর সঙ্গে। তবে লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে কোয়ানসাহ এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না। ব্রাইটনে থাকাকালে তিনি সতীর্থ ছিলেন ড্যান বার্নেরও।
ম্যানচেস্টার সিটিতে থাকার সময় জন স্টোনসের সঙ্গে ৪৯টি ম্যাচ খেলেছেন হুলিয়ান আলভারেস। তরুণ নিকো ও’রেইলিও তখন একই দলে ছিলেন। একই সঙ্গে সিটিতে জন স্টোনসের দীর্ঘদিনের ডিফেন্স পার্টনার ছিলেন ওতামেন্দি। দুজন একসঙ্গে খেলেছেন ৭৭টি ম্যাচ।
সম্প্রতি লিও বালের্দির বদলি হিসেবে আর্জেন্টিনা দলে ডাক পাওয়া মার্কোস সেনেসি বোর্নমাউথে খেললেও বর্তমান ইংল্যান্ড দলে থাকা কোনো ফুটবলারের সঙ্গে তার ক্লাব-সতীর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। একইভাবে গনসালো মন্তিয়েল নটিংহাম ফরেস্টে ১৯টি ম্যাচ খেললেও বর্তমান ইংল্যান্ড দলে থাকা কোনো খেলোয়াড় তার ক্লাব সতীর্থ ছিলেন না।





