Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিশ্বকাপ

আমার সোনালি দিন মনে করাচ্ছে এমবাপ্পে

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:৪৮
আমার সোনালি দিন মনে করাচ্ছে এমবাপ্পে

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর বিশ্বকাপে ১৫ গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা নকআউটে ফ্রান্সের ম্যাচের আগে লে’কিপকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শুভকামনা জানিয়েছেন এমবাপ্পেকে। তুলে ধরা হলো এর চুম্বক অংশ

প্রশ্ন: বিশ্বকাপে আপনার ১৫ গোলের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন এমবাপ্পে। মেসিও আপনাকে পেছনে ফেলে ১৯ গোল নিয়ে এখন শীর্ষে।

রোনালদো নাজারিও: সব রেকর্ডই তো গড়া হয় একদিন ভাঙার জন্য। তবে এটি কোনো ফুটবলারের রেখে যাওয়া কীর্তিকে মুছে দিতে পারে না। মেসি আর এমবাপ্পে এমন খেলোয়াড়, যারা পরিসংখ্যানের ঊর্ধ্বে। দুজনই এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসের অন্যতম শীর্ষ গোলদাতা হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

প্রশ্ন: মেসি-এমবাপ্পেকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

রোনালদো: মেসি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় আর এই বয়সেও মাঠে সমান প্রভাবশালী। এমবাপ্পের কথা যদি বলি, ওর খেলার ধরন আমার ক্যারিয়ারের সোনালি দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। সে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। এই খেলার কিংবদন্তিদের উত্তরসূরি এমবাপ্পে।

প্রশ্ন: নকআউট শুরু হয়ে গেছে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচ দেখে ফেভারিট মনে করছেন কোন দলগুলোকে?

রোনালদো: ফ্রান্স, স্পেন ও আর্জেন্টিনা অসাধারণ ফুটবল খেলছে। তারা শিরোপার দাবিদার। আর জার্মানি তো সবসময়ই বিপজ্জনক। শিরোপার দৌড়ে এ দলগুলোই ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। এখন পুরো বিশ্বজুড়েই দুর্দান্ত সব খেলোয়াড় এবং শক্তিশালী দল রয়েছে। ব্রাজিল হয়তো তার ‘একক ফেভারিট’ তকমাটি হারিয়েছে, তারপরও তারা ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি।

প্রশ্ন: বিশ্বকাপের পর ফ্রান্সের সঙ্গে শেষ হচ্ছে দিদিয়ের দেশমের অধ্যায়। নতুন কোচ হিসেবে জিনেদিন জিদান কেমন করতে পারেন?

রোনালদো: আমি যাদের সঙ্গে খেলেছি জিদান তাদের অন্যতম সেরা। সবসময়ই বলে এসেছি এই পদের জন্য জিদানই সবচেয়ে যোগ্য। তার প্রতিভা আছে, অভিজ্ঞতা আছে, ট্যাকটিক্যাল বুদ্ধি এবং আদর্শ ব্যক্তিত্বও আছে। আর এটি আমি শুধু অনুমানে বলছি না, রিয়াল মাদ্রিদে দুর্দান্ত কাজ করে সে এরই মধ্যে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে।

প্রশ্ন: ২০০৬ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে জিদান জাদুতে হেরেছিলেন আপনারা। জিদান তো আপনাদের ড্রেসিংরুমেও গিয়েছিলেন ম্যাচ শেষে।

রোনালদো: জিদান আর আমি বন্ধু ছিলাম এবং এখনো আছি। ম্যাচ শেষে ও আমাদের ড্রেসিংরুমে এসেছিল, কিন্তু তখনকার পরিবেশ ছিল ভয়াবহ। অনেক খেলোয়াড় কাঁদছিল। আমি ওকে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম, কিন্তু বলেছিলাম যে জার্সি বদল করার জন্য এটি উপযুক্ত সময় নয়। ওকে ড্রেসিংরুম থেকে চলে যেতে অনুরোধ করেছিলাম তখন। ফ্রান্স মাস্টারক্লাস ফুটবল খেলে আমাদের টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দিয়েছিল। তারা এমন পারফরম্যান্স করেছিল, যা আপনি কল্পনার সর্বোচ্চ টেকনিক্যাল লেভেলে ভাবতে পারেন। জিদান সেদিন মাঠে সেই বিখ্যাত ‘হ্যাটট্রিক ট্রিকস’ (বল নিয়ে পায়ের কারসাজি) দেখিয়েছিল। ও ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়ে খেলছিল; তাই সেই পারফরম্যান্সকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা বলা হয়।

প্রশ্ন: আপনার ৮ গোলে ব্রাজিল সর্বশেষ বিশ্বকাপ জিতেছিল ২০০২ সালে। সেবার আপনার চুলের অদ্ভুত কাট নিয়েও বেশ আলোচনা হয়েছিল!

রোনালদো: ২০০২ সালের সেই হেয়ারস্টাইলের জন্য আমি সব বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাইছি (হাসি)। সে সময় যেসব বাবা-মাকে তাদের সন্তানদের এই বিদঘুটে লুক নকল করার অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল, তাদের জন্য খারাপ লাগে। আসলে তখন আমি হাঁটুর মারাত্মক চোটে ভুগছিলাম। অক্লান্ত শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমে নিজেকে পুরোপুরি ফিট করতে পেরেছিলাম (তাই মানুষের মনোযোগ ইনজুরি থেকে সরাতেই চুলের সেই ছাঁট দিয়েছিলাম)।

প্রশ্ন: আপনার মতো নেইমারও চোট সারিয়ে ফিরেছেন এবারের বিশ্বকাপে। ব্রাজিলের হেক্সা অভিযানে কতটা প্রভাব রাখতে পারবেন নেইমার?

রোনালদো: আমি যৌক্তিক কারণেই নেইমারকে দলে রাখার পক্ষে ছিলাম। কারণ নেইমার একা ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। ব্রাজিলের এই দলে তেমন কোনো খেলোয়াড় দেখি না, যার একা হাতে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা আছে। তাই তাকে যদি আমরা ৯০ মিনিট পাই, তাহলে সেই সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। নেইমারের সামনে সুযোগ এসেছে যারা তাকে বিশ্বাস করেনি, তাদের সবার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার।

প্রশ্ন: ব্রাজিল ধীরে ধীরে গুছিয়ে নিয়ে উন্নতি করেছে যথেষ্ট। কোচ কার্লো আনচেলত্তি কি পারবেন এই ধারা ধরে রেখে ব্রাজিলকে হেক্সা জেতাতে?

রোনালদো: আনচেলত্তির কাজের ওপর আমার অগাধ আস্থা আছে। দলের পরিবেশ শান্ত রাখতে আর খেলোয়াড়দের সেরাটা বের করে আনতে তার জুড়ি নেই। তিনি ফুটবলকে খুব কম মানুষের মতোই গভীরভাবে বোঝেন এবং চাপ সামলাতে জানেন। এই মুহূর্তে সেলেসাওদের জন্য তার চেয়ে ভালো কোচ আমি চিন্তাই করতে পারি না। আশা করছি তার হাত ধরে ব্রাজিল হেক্সা জিতবে এবার।

রোনালদো নাজারিওসাক্ষাৎকারনকআউটকিলিয়ান এমবাপ্পে
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise