পিএসজি-বায়ার্ন ম্যাচ নিয়ে আলোচনার ঝড়

সংগৃহীত ছবি
চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে এমন পাগলাটে ম্যাচ সবশেষ কবে দেখেছেন? প্রথমার্ধে ৫ গোল, দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছে ৪টি। মোট ৯ গোলের থ্রিলারে পার্ক ডি প্রিন্সে বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ হাসি হেসেছে পিএসজি। ফুটবলবোদ্ধা থেকে সংবাদমাধ্যম, রোমাঞ্চকর এই সেমিফাইনাল নিয়ে মাতামাতি হচ্ছে সবখানেই।
গোলের খেলা ফুটবল। মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে দর্শক মাঠে আসে গোল দেখতেই। পিএসজি-বায়ার্ন সেমিতে হয়েছে একের পর এক গোল। চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমির এক লেগে এর চেয়ে বেশি গোল আগে দেখেনি টুর্নামেন্ট।
টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচ নিয়ে স্বভাবতই আলোচনা হচ্ছে ফুটবলবোদ্ধাদের মধ্যে। সাবেক ফরাসি তারকা থিয়েরি অঁরি যেমন বলছেন, পার্ক ডি প্রিন্সে দেখা গেছে ‘টোটাল ফুটবল।’ সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ওয়েন রুনি ম্যাচটিকে ‘পাগলাটে’ আখ্যায়িত করে বলেছেন, এমন খেলা তিনি খুব কমই দেখেছেন।
অঁরির মতো ফরাসি পত্রিকা লেকিপ এই ম্যাচকে ‘টোটাল ফুটবল’ বলে আখ্যায়িত করেছে। লা পারিসিয়ান ম্যাচটিকে বলছে ‘ঐতিহাসিক সেমিফাইনাল।’
জার্মান পত্রিকা বিল্ড বলছে, ম্যাচটি রীতিমতো ‘ফুটবলের পাগলামি’। ইতালির লা গাজেতা লিখেছে, ‘মাঠে আতশবাজি।’
ইংলিশ পত্রিকা ডেইলি মেইল প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে, ‘এটিই কি ইতিহাসের সেরা ফুটবল ম্যাচ?’ পর্তুগিজ পত্রিকা আ বোয়া বলেছে, ‘ম্যাচটি ফুটবল জাদুঘরে রাখা উচিত।’
ইএসপিএন আর্জেন্টিনা লিখেছে, ‘এটা ফুটবলের সত্যিকারের শ্যাম্পেইন।’ ওলে বলেছে, প্যারিসে পাগলাটে রাত।’
পাগলাটে বলুন কিংবা ঐতিহাসিক, এমন ম্যাচ তো আর সচরাচর দেখা যায় না। গত রাতের ম্যাচের সময় যারা ঘুমিয়ে কাটিয়েছে, সকালে উঠে নিশ্চয়ই তাদের আফসোস হচ্ছে।




