বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ওয়ানডে সিরিজ শুরু সোমবার
রাজশাহীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান

ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি নিয়ে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা ও শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু। ছবি: বিসিবি
রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে এর আগেও হয়েছে অনেক ম্যাচ। বয়সভিত্তিক ও ইমার্জিং দলের খেলা হলেও এই স্টেডিয়ামে কখনো হয়নি জাতীয় দলের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক ম্যাচ। অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে রাজশাহীবাসীর। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা নারী দলের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে সোমবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখছে রাজশাহী স্টেডিয়াম।
অভিষেক ওয়ানডে সিরিজের আগে রাজশাহী স্টেডিয়ামে ট্রফি উন্মোচন করতে এসেছিলেন দুই দলের অধিনায়ক। বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা ও লংকান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু ট্রফি হাতে ফটোসেশনের পাশাপাশি কথা বলেছেন নতুন এই ভেন্যু নিয়েও।
রাজশাহীর নতুন এই ভেন্যু নিয়ে বেশ আশাবাদী নিগার, ‘এখানে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছি। তবে আগে অনেক ঘরোয়া ম্যাচ খেলেছি। উইকেট ভালো, ব্যাটিং সহায়ক। আউটফিল্ড নিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, কিন্তু সামগ্রিকভাবে ভালো।’
পুরো দেশের মতো রাজশাহীতেও এখন প্রচণ্ড গরম। এই গরমের মধ্যেই সব ম্যাচ শুরু সকাল ৯.৩০ মিনিটে। আবহাওয়া অবশ্য কোনো সমস্যা হবে না বলেই বিশ্বাস নিগারের ‘রাজশাহীতে গরম, এটা আমরা জানি। কিন্তু এখানে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তাই আবহাওয়া বড় সমস্যা হবে না।’
রাজশাহীর পিচে খেলে আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতিটা বেশ ভালো হবে, মানছেন নিগার, ‘ইংল্যান্ডে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটই বেশি থাকে। আমরা এমন উইকেটই চেয়েছি, যেখানে ব্যাটাররা রান করতে পারবে। রান করার অভ্যাস তৈরি করাটাই গুরুত্বপূর্ণ।’
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বাইরে খুব একটা দেখা যায় না বাংলাদেশের খেলা। দেশের আঞ্চলিক ভেন্যুগুলোর উন্নয়নের ওপরও জোর দিলেন নিগার, ‘সবকিছু ঢাকাকেন্দ্রিক হলে হবে না। বাইরের ভেন্যুগুলোকে পরিচর্যা করতে হবে। নিয়মিত খেলা হলে নতুন খেলোয়াড়েরা অনুপ্রাণিত হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে লংকান অধিনায়ক আতাপাত্তুও কথা বলেছেন দেশের নতুন ভেন্যু নিয়ে। আতাপাত্তু জানালেন,‘আমি জানি, এই মাঠ এখনো আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত নয়। তবে বর্তমানে উইকেট ও কন্ডিশন খুব ভালো। এটি নতুন ভেন্যু, তাই আমরা খুব বেশি কিছু প্রত্যাশা করছি না। দিনের শেষে আমাদের কাজ মাঠে ভালো ক্রিকেট খেলা।’
ঢাকার মাঠ ও কন্ডিশনের সঙ্গেও রাজশাহীর তুলনাও করেন লংকান অধিনায়ক, ‘ঢাকায় খেলার অভিজ্ঞতা আলাদা। তবে এখানে কন্ডিশন কিছুটা ব্যাটারদের জন্য সহায়ক হবে। আশা করি, আমরা বেশি রান করতে পারব এবং ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারব।’
রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২০, ২২ ও ২৫ এপ্রিল হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর সিলেটে ২৮ ও ৩০ এপ্রিল এবং ২ মে হবে টি-২০ সিরিজের তিনটি ম্যাচ।

