সিলেট টেস্টের প্রথম সেশন শেষে কারা এগিয়ে?

সিলেট টেস্টে শান্ত-মুমিনুলের জুটি লম্বা হয়নি। ছবি: সংগৃহীত
সিলেট টেস্টের প্রথম দিনে প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে যুক্ত হয়েছে ১০১ রান। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ১৮* ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৬ রানে অপরাজিত আছেন। পাকিস্তানের হয়ে আব্বাস ২টি এবং শাহজাদ ১টি উইকেট নিয়েছেন।
টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান। মোহাম্মদ আব্বাসের করা দিনের দ্বিতীয় বলেই মাহমুদুল হাসান জয় (০) স্লিপে সালমান আগার হাতে ক্যাচ দেন। ওয়ান ডাউনে নামা মমিনুল হকের সঙ্গে অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম ৪৪ রানের জুটি গড়েন। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ইনিংসে শুরুটা ভালোই করেছিলেন তানজিদ। কভার ড্রাইভে প্রথম বাউন্ডারির পর মোহাম্মদ আব্বাসের বলে এক ওভারেই মেরেছিলেন দুটো চার।
সেই আব্বাসের বলেই আউট হয়ে সমাপ্তি ঘটে তামিমের প্রতিশ্রুতিশীল ইনিংসের। আচমকাই আব্বাসের কোমর সমান উচ্চতার বলে উড়িয়ে খেলতে গিয়ে বল হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন তামিম। নিজের বলে ক্যাচ নেন আব্বাস। আউট হওয়ার আগে তামিম খেলেন ৩৪ বলে ২৬ রানের ইনিংস। ৪১ বলে ২২ রান করা মমিনুল আউট হয়েছেন খুররম শেহজাদের বলে, বোল্ড হয়ে। এই টেস্টেই একাদশে আসা খুররমের ইনসুইঙ্গিং ডেলিভারিটা মমিনুলের ব্যাট আর পায়ের ফাঁক দিয়ে ঢুকে ভেঙ্গে দেয় স্টাম্প।
প্রথম সেশনের বাকি সময়টা কাটিয়ে দিয়েছেন শান্ত এবং মুশফিক। ৭ ওভারে ২২ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন আব্বাস, ৩৪ রানে ১ উইকেট খুররমের। হাসান আলি তানজিদ তামিমের ক্যাচ ধরতে গিয়ে মাথায় চোট পেয়ে ৬ ওভারের মত সময় মাঠের বাইরে থাকার পর মাঠে ফিরে বোলিং করেছেন। একটা সময় তাকে কনকাশন বদলি হিসেবে নামিয়ে ফেলার একটা আশঙ্কা থাকলেও পরবর্তীতে ঠিকই মাঠে ফিরে আসেন এই পেস বোলার।





