স্বস্তির জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ছবি: আগামীর সময়
তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে ঝড়ো ফিফটি। হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। তাতে ৬ উইকেটের জয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ। তবুও ব্যাটিং ব্যর্থতা লুকানো গেল না। ক্রিজে আসা সাত ব্যাটারের চারজনই এক অঙ্কের ঘরে আউট হওয়ায় তা স্পষ্ট। এই ব্যর্থতার পরও দলের জয়টা স্বস্তির।
সিরিজের প্রথম ম্যাচের মতো কিউইরা আড়াইশ রানের লক্ষ্য দিতে পারেনি। সেরকম কিছু হলে বাংলাদেশ ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষাই দিতে হতো। নাহিদ রানার আগুন ঝরানো বোলিংয়ে কিউই ব্যাটারদের নাভিশ্বাস উঠেছিল। মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।
রান তাড়ায় বরাবরের মতো টপঅর্ডার ব্যর্থতায় শুরু বাংলাদেশের। মোহাম্মদ সাইফ হাসান ৬ বলে ৮ ও দলে সুযোগ পাওয়া সৌম্য সরকার ১১ বলে ৮ করে ড্রেসিংরুমে ফেরেন। ২১ রানে দুই উইকেট হারানো ব্যাটিং লাইনকে ছন্দে ফেরান তানজিদ হাসান তামিম। ইনিংসের শুরুতে বাঁ হাতে আঘাত লাগায় তার অস্বস্তি ছিল। তা কাটিয়ে দারুণভাবে ক্রিজে সেট হয়েছেন, পরে টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলে পঞ্চম ওয়ানডে ফিফটি তুলে নেন এই ওপেনার।
চার ছক্কা ও ১০ চারে তামিমের ৫৮ বলের ইনিংস ৭৬ রানের। স্ট্রাইকরেট ১৩১। একপ্রান্তে তামিম দারুণ ছন্দে খেলায় রানের খোঁজে থাকা শান্তর জন্য সহজ হয় ক্রিজে থাকা। কিছুটা সময় নিয়ে সাবধানি ব্যাটিং করা শান্ত ৭১ বলে ৫০ করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়েছেন। ওয়ানডেতে যা তার দশম ফিফটি। তামিমের সঙ্গে তার জুটি ছিল ১২০ রানের।
শততম ওয়ানডেতে ব্যাট হাসেনি লিটন দাসের। ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে বড় শট খেলার চেষ্টায় উইকেট ছুড়ে আসেন তিনি। শেষদিকে ৩১ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান তাওহীদ হৃদয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
নিউজিল্যান্ড : ১৯৮/১০, ৪৮.৪ ওভার (নিক কেলি ৮৩, আব্বাস ১৯, নাথান স্মিথ ১৮*; নাহিদ ৫/৩২, শরিফুল ২/৩২)।
বাংলাদেশ : ১৯৯/৪, ৩৫.৩ ওভার (তানজিদ ৭৬, শান্ত ৫০, হৃদয় ৩০*, সাইফ ৮, সৌম্য ৮, লিটন ৭, মিরাজ ৮*; জেডেন লেনক্স ২/৩৬)
ফল : বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : নাহিদ রানা।

