অচেনা কন্ডিশনেই বিধ্বস্ত নাজমুলরা

অস্ট্রেলিয়ায় দুই দিনে টেস্ট হেরেছে বাংলাদেশ। শুরুতে যে আলোচনা সবচেয়ে বেশি রটেছিল, তা দিয়েই শেষ হলো দুই দলের সিরিজ। ৬৪ রানে অলআউট হওয়া এবং পরের ইনিংসে ৯৫ রানে থেমে যাওয়া। এক টেস্টে এই প্রথমবার দুই ইনিংসেই দলীয় ১০০ রানের আগে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। অজুহাত হিসেবে নয়, অস্ট্রেলিয়ার এমন অচেনা কন্ডিশনকে সামনে টেনে আরও শেখার দিকটি সামনে এনেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
টেস্ট শেষে বাংলাদেশ অধিনায়কের দাবি, ‘এখানে আমরা ২৩ বছর পরে এসেছি। এমন কন্ডিশনে এ বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে এত বছর পর খেলা সহজ নয়। যদি আমরা নিয়মিত আসতে পারতাম তাহলে খেলোয়াড়রা মানিয়ে নিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারত। দলের অনেকেই জানে না কীভাবে এমন বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে এ কন্ডিশনে খেলতে হয়। আমরা চাই এমন কন্ডিশনে নিয়মিত খেলতে, ২৩ বছর বা ২৫ বছর পরপর নয়।’
সময়ের ব্যবধানে দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলা। তাই শান্তদের হোমওয়ার্কের তালিকাও বেশি। বাংলাদেশ অধিনায়ক জানিয়েছেন, এ সিরিজ থেকে যতটা সম্ভব শেখার বিষয়গুলো টুকে রেখেছেন, যা কাজে লাগাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপে, ‘শিখেছি অনেক কিছুই। পেস আর বাউন্সের অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল। এ অভিজ্ঞতা কাজে দেবে অবশ্যই। তাদের বোলিং আক্রমণ দারুণ ছিল। বিশেষ করে ম্যাকাইতে। চেষ্টা করব উন্নতি করতে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপে এ অভিজ্ঞতা কাজে দেবে।’
শান্ত নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতা মেনে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে একই উইকেটে অস্ট্রেলিয়া ব্যাটারদের কঠিন অবস্থার কথাও তুলে ধরেছেন, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে আমরা আরও ভালো ব্যাটিং করতে পারতাম। ওরাও যখন ব্যাট করেছে অনেক সংগ্রাম করেছে। উইকেট অনেক কঠিন ছিল, এটা অবশ্যই মানতে হবে। কিছু বাজে শট ছিল। এরকম বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে এরকম কন্ডিশনে আমরা খেলিই না, কখনো খেলিওনি। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কীভাবে ভালো করতে পারি, সামনে এটা জরুরি।’






