এডিটোরিয়াল
চাপের মুখে চরিত্রেরা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
একদিকে বিষয়ের গুরুভার চাপ, অন্যদিকে ‘রিডার নাই’ বা পাঠকহীনতার হাহাকার। এই দুয়ের জাঁতাকলে পড়ে নাভিশ্বাস ওঠার দশা সম্পাদকীয় বিভাগের। তার ওপর নব্য উৎপাত— নতুনের সঙ্গে পুরাতনের ককটেল তৈরি করা। গুরুগম্ভীর তত্ত্বকে লঘুপাচ্য করে পাঠকের পাতে পরিবেশন করা যেন পাথর কুঁদে খই বানানো! এই বহুমুখী চাপে আমাদের কার কী হাল, তার একটি খতিয়ান রাখা যাক।
আমাদের ক্যাপ্টেন মুনির রানার উপাধি হতে পারে’লুকোচুরির বিড়ম্বনা’। ইনি নিজেকে লুকিয়ে রাখতে ভালোবাসেন। তাতে মুশকিল হলো, তার মনের অন্দরমহলে ঠিক কী চলছে, কোনটি তার পছন্দ আর কোনটি অপছন্দ—বুঝতে বুঝতেই আমাদের দিন ফুরায়। নিজেকে আরেকটু প্রকাশ করলে খুব বেশি ক্ষতি কি হয়, রানা ভাই, প্লিজ!
সিরাজুল ইসলাম, ঐতিহ্যের কুলি। তিনি বহন করছেন সম্পাদকীয়র সেই ঐতিহ্যবাহী চাপ। তিনি ওই ক্লাসিকের পুরাতনী ঢং ছাড়তে নারাজ।
বখতিয়ার আবিদ চৌধুরী, বিপ্লবের ব্যারোমিটার। বিপ্লব আর বামপন্থার প্রেশারে তিনি নীল! সারা গায়ে কমিউনিস্ট বাসনার উল্কি নিয়ে নব্য জমানার বাজার অর্থনীতি সামলাচ্ছেন। এ যেন লেনিন আর মাস্কের মধ্যে এক অসম যুদ্ধ। সেই দ্বন্দ্বে তিনি নিজেও এক ‘লিভিং’ স্ট্রেস টেস্ট।
এবার নিজের কথা বলি? আমি সাঈদ জুবেরী, নিজেকে ভাবি, সৃজনশীলতার ইন্টেলেকচুয়াল ফেউ! ক্রিয়েটিভ নেশায় অস্থির। মাথায় সৃজনশীলতার এমন চাপ যে বুদ্ধিবৃত্তিক ‘ফেউ’ সারাক্ষণ আমার পিছু ধাওয়া করে।




