সম্পাদনা সহকারী
নির্ভুল আগামীর সময়ের জন্য

ছবি: আগামীর সময়
প্রিন্ট ও কনটেন্ট বা লেখার বানান, ভাষাগত শুদ্ধতা নিশ্চিতসহ বাক্য গঠন, ক্ষেত্রবিশেষে তথ্যের ভুলভ্রান্তি যাচাই ও সংশোধন করাই সম্পাদনা সহকারীর প্রধান কাজ।
মানসম্পন্ন ও নির্ভুল লেখা পাঠকের কাছে প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়।
এই বিভাগের প্রধান আমি। নিজের সম্পর্কে কিছু না বলে বরং সহকর্মীদের নিয়েই বলি।
হাফিজুর রহমান আমার ডেপুটি। স্বভাবে চুপচাপ, কাজে সিরিয়াস। আদর করে ডাকি কুটি। পুরনো সহকর্মী। শুধু আমি নই, অনেকে তাকে জীবন্ত ডিকশনারি বলে ডাকেন। অনেক সময় কোনো বানান মনে না এলে শরণাপন্ন হই তার। সঙ্গে সঙ্গে সমাধান।
আরেক ডেপুটি আসগর আলী। তিনিও আমার দীর্ঘদিনের সহকর্মী। কাজ করেন ঘন মনোযোগে, আবার এরই ফাঁকে মজার মজার কথা বলে হাসান সহকর্মীদের। পরমুহূর্তেই সিরিয়াস। আগামীর সময়ে তার দায়িত্ব দিয়েছি বাড়িয়ে।
সম্পাদনা বিভাগের উজ্জ্বল নক্ষত্র আবুল হাসনাত জুয়েল। এককথায় অলরাউন্ডার। তাকে টিমে পেয়ে আমি গর্বিত। কাজের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। তেমনি কঠোর সহকর্মীদের সঙ্গেও। কোনো ভুল হলে ছাড় নয়। আবার যত্নসহকারে প্রতিটি কাজ সহকর্মীদের বুঝিয়ে দেন।
কবিরুল ইসলাম। আরেক মজার মানুষ। তার সঙ্গে যতদিন কাজ করেছি, রাগ করতে দেখিনি। হাসিমুখ আর দুষ্টুমিমাখা কথাবার্তা। কাজ করবেন ধীরস্থিরভাবে। সেখানে থাকে নির্ভুলভাবে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা।
চুপচাপ স্বভাবের ছেলে ফিরোজ আহমেদ। নিজের কাজ কী, বোঝেন। তবে মাঝেমধ্যে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। অবশ্য সেটা কাজ নিয়ে নয়। আজব আজব বিষয় নিয়ে তার চিন্তা। জহিরুল ইসলাম রাকিবও পুরনো সহকর্মী। হাসিখুশি মানুষ। সবার সঙ্গে ভাব। যত কাজই করতে বলি না কেন, মুখে না নেই।
দলের নতুন সদস্য মিশার আহমেদ। তার সঙ্গে আগে কোথাও কাজ করিনি। তবে জেনেছি, বেশ কাজের ছেলে। মিশার— অপেক্ষায় রইলাম। ডলি গাইন টিমে একমাত্র নারী সদস্য। আমার পেশার শুরুর দিকের সহকর্মী। দীর্ঘদিন পর ফের একসঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি, ডলিদি।
সুমন কুমার পাল। চটপটে স্বভাবের। সবার সঙ্গে মেশার এক অদ্ভুত গুণ তার। খুব দ্রুতই কাজ আয়ত্তে নিয়েছে। নাজমুল হাসান। দলের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। চুপচাপ মানুষ। কাজও করেন সেভাবে। সবার পছন্দের এই ছেলে একটু নার্ভাসও। ধমক দিলেই মনে হবে কেঁদে ফেলবেন! নাজমুল, কাজটা উপভোগ করুন। দেখবেন, সাফল্য আপনার সামনে ধরা দিচ্ছে। আমার দলে আরও দুজন রয়েছেন। তারা অনলাইনে কাজ করছেন। একজন একে আজাদ, আরেকজন শিক্ষানবিশ মো: রায়হান। তাদের প্রতি রইল শুভকামনা।
আগামীর সময়ের সম্পাদনা সহকারী বিভাগের এই দল অভিজ্ঞতা, আন্তরিকতা ও ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের সমন্বয়ে সমৃদ্ধ, যা ভবিষ্যতে পত্রিকাটির মানোন্নয়ন ও বিশ্বাসযোগ্যতা আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই আমার বিশ্বাস। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে রুচিশীল, পরিশীলিত, সাবলীল ভাষার নির্ভুল আগামীর সময়কে পাঠকের কাছে তুলে দেওয়া।




