Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় শুরুর সুবাস

বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন

বিজ্ঞাপন ও বিপণন তরঙ্গ

আহসানুজ্জামান রিমন, পরিচালক (সেলস্, মার্কেটিং অ্যান্ড অপারেশন্স)
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৭:৩৪
বিজ্ঞাপন ও বিপণন তরঙ্গ

ছবি: আগামীর সময়

বিজ্ঞাপন বিভাগ একটি পত্রিকার আর্থিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এই বিভাগের প্রতিটি ধাপ— বিজ্ঞাপন সংগ্রহ, প্রসেসিং, প্রকাশ এবং বিল আদায়— একটি সমন্বিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আর এই পুরো প্রক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান (হেড অব মার্কেটিং/জিএম/ডিরেক্টর), যার দক্ষ নেতৃত্বেই বিভাগটি সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলে। অন্যদিকে, সার্কুলেশন বিভাগ কাজ করে পাঠকের দোরগোড়ায় পত্রিকা পৌঁছে দিতে।

শুরুতেই সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং টিমের আলাপ।

‘আগামীর সময়’-এর এই দলে ম্যানেজারের দায়িত্বে আছেন হাসানুজ্জামান সোহাগ, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্বনামধন্য বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ করেছেন। ভীষণ নম্র, ভদ্র, কর্মপটু।

রাফিউল ইসলাম বাবুও ম্যানেজার। প্রায় ৩০ বছরের অভিজ্ঞতা। গুছিয়ে কথা বলায় পটু, কঠোর পরিশ্রমী এবং ম্যানেজিং ক্যাপাসিটি ভালো। অন্যদিকে খন্দকার মান্না, ম্যানেজার; প্রায় দেড় দশকের অভিজ্ঞ। কথায় খুব পটু। তার ম্যানেজিং ক্যাপাসিটি দারুণ। হাসিখুশি। আরও আছেন ম্যানেজার মামুনুর রশীদ। শান্ত প্রকৃতির মানুষ। ঠান্ডা মাথায় কাজ করে অভ্যস্ত। ‘রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন’ মন্ত্রে বিশ্বাসী! হুমায়ুন কবির মুকুল রয়েছেন উপমহাব্যবস্থাপক হিসেবে। দুই যুগেরও অধিক অভিজ্ঞতা। মাঝখানে কিছুদিন ব্যবসা করে আবারও ফিরে এসেছেন। দারুণ দক্ষ। এজিএম মোমিতুল ইসলামও দুই যুগের বেশি সময় বিভিন্ন পত্রিকায় যুক্ত। অতীতেও তাকে  সহকর্মী হিসেবে পেয়েছিলাম। কাজে বেশ আন্তরিক। প্রয়োজনে গভীর রাত অবধি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

এজিএম মনিরুল ইসলাম রিন্টু একসময় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পাবলিক রিলেশন অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। কাজে দক্ষ। হামিদ উল্লাহ জনিকে সহকর্মী হিসেবে পেয়েছিলাম ১৫ বছর আগে। আবারও আমাদের সঙ্গে তিনি। এবার এজিএম (ডিজিটাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) হিসেবে। খুব চটপটে; কাজেও ভালো। ডেপুটি ম্যানেজার রাজিব আহমেদ এ পেশায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে। চটপটে ও পরোপকারী। শুধু অফিসের কাজ নয়, সহকর্মীদের ব্যক্তিগত বিপদ-আপদেও পাশে থাকেন। ডেপুটি ম্যানেজার মোহাম্মদ উল্লাহ ভীষণ পরিশ্রমী। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিজ্ঞাপন বের করে আনায় বেশ দক্ষ। সদা হাসিখুশি। কালেকশনের দায়িত্বে আছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সাজেদুর রহমান। হাসিখুশি ও পরিশ্রমী। পাওনা আদায়ে তার জুড়ি নেই!

দলের ডেস্ক সামলাচ্ছেন চারজন— সেলিনা খাতুন, হোসনে আরা লাকি, সূচী চাকমা ও মিজান রহমান। সেলিনার অভিজ্ঞতা ২৭ বছরেরও বেশি সময়ের। কাজে পারদর্শী। হাসিখুশি ও পরিশ্রমী। লাকি প্রায় ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। শান্ত প্রকৃতির মানুষ। ‘কথা কম, কাজ বেশি’ মন্ত্রে বিশ্বাসী। দুই দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে সূচীর ভান্ডারে। তিনিও হাসিখুশি। ভীষণ মিশুক। মিজানের অভিজ্ঞতা দেড় দশকের বেশি সময়ের। মাঝরাতে, পত্রিকার আউটপুট বের হওয়ার আগপর্যন্ত ডেস্ক ছাড়েন না। বেশ দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী।

এবার আসি সার্কুলেশন বিভাগের আলাপে। এই টিমের সেনাপতি মাসুদ কবীর পাভেল। পদবিতে উপমহাব্যবস্থাপক, সার্কুলেশন। এ পেশায় দুই যুগেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। ঢাকাসহ সারা দেশে পত্রিকার এজেন্ট, সুপারভাইজার ও হকারদের সঙ্গে তার অত্যন্ত সুসম্পর্ক। সদালাপী। আহমেদ সেলিম, এজিএম, একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রায় ২২ বছর কাজ করেছেন। গত সাত বছর বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এখন আমাদের টিমে। সদা হাসিমুখ তার। বিনয়ী ও ভদ্র। বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডেপুটি ম্যানেজার শোয়েব খানের দায়িত্ব পুরো ঢাকা শহর মনিটর করা। কাজে বেশ ক্ষিপ্র; তার উপস্থিতবুদ্ধি ঈর্ষণীয়। অন্যদিকে, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ লিটনের মূলশক্তি ঢাকার বাইরে, সারা দেশে মনিটরিং। রাজধানীতেও বেশ ভালো জানাশোনা। কাজের প্রতি ভীষণ একাগ্রচিত্ত। প্রতিষ্ঠান ও নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার মানসিকতা তার তীব্র। আরও আছেন তামান্না ইকবাল। সার্কুলেশন ডেস্কের কাজে পটু। পাওনা আদায়েও দক্ষ। ব্যবহারের অমায়িক।

সবশেষে বলা যায়, অভিজ্ঞ ও কাজপাগলদের নিয়ে দারুণ একটি টিম হয়েছে, যারা সবাই সফল হতে চান। ভাগ্য ও প্রতিভা হয়তো শুরুটা সহজ করে দেয়; কিন্তু দলগত কাজ, নেতৃত্বগুণ, অধ্যবসায়, সততা এবং ক্লায়েন্টের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্কই একজন সেলস লিডারের প্রকৃত সফলতা নিশ্চিত করে। আমি মনে করি, আমার ও আমার সহকর্মীদের সবারই এই গুণগুলো আছে।

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপনচিত্রবিজ্ঞাপন বিভাগসার্কুলেশন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise