Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
৪০০ মানুষের চোখের আলো খায়রুল
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় শুরুর সুবাস

আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিকশিত হবে ডিজিটাল মিডিয়ায়

সাইমন জাকারিয়া
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ০৭:২০
আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিকশিত হবে ডিজিটাল মিডিয়ায়

‘রুদ্র ও জালিয়ানওয়ালাবাগ’ নাটকের দৃশ্য। স্থান: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন

লোকায়ত সংস্কৃতির যে বিপুল বৈভব ছড়িয়ে আছে বাংলার অানাচে-কানাচে– সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে ইদানীং তার অনেক খবর পাচ্ছি আমরা। শহুরে মঞ্চে নির্বাচিত উপস্থাপনার বদলে এখন প্রয়োজন এই সংস্কৃতির জীবন্ত ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। উগ্রবাদী গোষ্ঠীর নেতিবাচক প্রচারণা থেকে একে সুরক্ষা দেওয়া সমাজ ও রাষ্ট্রের কর্তব্য

বাংলাদেশের লোকায়ত সংস্কৃতির ইতিহাস দুই সহস্রাব্দ প্রাচীন। কিন্তু খুব কমই এই ঐতিহ্যগত সংস্কৃতির ঐতিহাসিক সূত্র, এর অন্তর্লীন বৈচিত্র্য, নন্দনতাত্ত্বিক বৈভব এবং জ্ঞানতাত্ত্বিক তাৎপর্যকে যথাযথভাবে স্বীকার করা হয়েছে। দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা যায় বাংলাদেশের সাধকশ্রেষ্ঠ ফকির লালন সাঁইয়ের কথা। অাজ বিশ্বব্যাপী গবেষক, শিল্পী, অনুবাদক, সংগীতজ্ঞ ও দর্শন পাঠকদের কাছে লালন এক অনন্য বিস্ময়। কিন্তু লালনপন্থী সাধকদের জীবনযাপন, সাধনসংস্কৃতি, দেহতত্ত্ব, গুরু-শিষ্য সম্পর্ক, সাম্যবাদী চেতনা, ভক্তি ও জিজ্ঞাসার পথে যে গভীর আধ্যাত্মিক ও সামাজিক দর্শন নিহিত আছে, তার প্রতি আমাদের সমাজের একাংশে আজও অন্তহীন অবজ্ঞা বিদ্যমান। আমরা লালনের গান চাই, কিন্তু লালনের পথের মানুষদের মর্যাদা দিতে দ্বিধাগ্রস্ত হই। আমরা তাদের সুর গ্রহণ করি, কিন্তু তাদের সাধনাপদ্ধতি, জীবনসংগ্রাম ও সাংস্কৃতিক অধিকারকে সমানভাবে স্বীকৃতি দিতে শিখিনি। এই দ্বিচারিতা বাংলাদেশের লোকায়ত সংস্কৃতির প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিগত সমস্যাকে স্পষ্ট করে।

এই অবজ্ঞা ও অবহেলার মধ্যেই ঐতিহ্যগত সংস্কৃতির চর্চাকারীরা এবং তাদের অধিকাংশ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য অনেকটা অনাদরে, লোকচক্ষুর আড়ালে নিজেদের ঐতিহ্য রক্ষা করে চলেছেন। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যায়, সাম্প্রতিককালের বাংলাদেশের সাধকদের মধ্যে প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধগান চর্যাপদের পুনর্জাগরণ ঘটেছে, যা এখন জীবন্ত সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। অথচ, দুই যুগ আগেও জীবন্তরূপে চর্যাপদের কোনো গান বাংলাদেশের ঐতিহ‍্যগত সাধক সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত ছিল না। উল্লেখ‍্য, প্রায় ৮০০ থেকে ১০০০ বছর আগে বাংলাদেশের সোমপুর মহাবিহার তথা ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের আবাসিক সাধক কবি কাহ্নপা, বিরূপাসহ অপরাপর বাঙালি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য চর্যাপদের গানগুলো রচনা করেন। চর্যাপদের উৎসভূমি পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এলাকার সাধক শিল্পী থেকে শুরু করে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধক শিল্পীরা এই গান পুনর্জাগরণের নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের লোকায়ত সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে এই পুনর্জাগরণের আদর্শ আরও অনেক বিলুপ্ত সংস্কৃতির পুনর্জাগরণের উদ্দীপনা হয়ে উঠবে বলে মনে করি।


লক্ষণীয়, রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের পরিসরে লোকসংস্কৃতির উপস্থিতি কখনো কখনো দেখা গেলেও তা অধিকাংশ সময় ছিল নির্বাচিত, পরিশোধিত, নগরমুখী এবং অনুষ্ঠাননির্ভর। লোকশিল্পীকে মঞ্চে ডাকা হয়েছে, কিন্তু তার সমাজজীবন, আচার, জ্ঞানব্যবস্থা, ভাষা, বিশ্বাস, প্রশিক্ষণপদ্ধতি বা সাংস্কৃতিক অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে লোকসংস্কৃতি প্রায়ই হয়ে উঠেছে ‘প্রদর্শনযোগ্য শিল্প’, কিন্তু ‘জীবন্ত ঐতিহ্য’ হিসেবে তার মূল্যায়ন দুর্বল থেকেছে।

ভবিষ্যতের লোকসংস্কৃতির প্রধান কাজ হবে সংরক্ষণ নয়, জীবন্ত ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। কারণ লোকসংস্কৃতি মিউজিয়ামের মৃত বস্তু নয়; এটি মানুষের দেহে, কণ্ঠে, স্মৃতিতে, বিশ্বাসে, আচার-অনুশীলনে এবং সামাজিক সম্পর্কের ভেতর বেঁচে থাকে

তবে সাম্প্রতিককালে সোশ্যাল মিডিয়ার বিস্তার এই অবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটিয়েছে। বিশেষ করে কভিড-১৯ মহামারীকালের তীব্র সংকটের মধ্যেই লোকায়ত সংস্কৃতির কিছু আঙ্গিক ফেসবুক লাইভ, ইউটিউব, অনলাইন আর্কাইভ, মোবাইল ভিডিও এবং ব্যক্তিগত ডিজিটাল প্রচারের মাধ্যমে নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ শুরু করে। এই ডিজিটাল উপস্থিতি লোকসংস্কৃতির আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে বৃহত্তর সমাজের সামনে হাজির করেছে।

অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়া শুধূমাত্র আশীর্বাদ নয়; এর সঙ্গে নতুন সংকটও যুক্ত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু উগ্রবাদী ধর্মীয় প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর নেতিবাচক প্রচারণায় লোকায়ত সংস্কৃতির গান, নৃত্য, সাধনা, আচার ও সম্প্রদায়জীবন নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। অনেক সময় ভুল ব্যাখ্যা, ঘৃণামূলক মন্তব্য, ধর্মীয় বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক অসহিষ্ণুতা এবং সংগঠিত আক্রমণের ফলে ঐতিহ্যচর্চাকারী মানুষরা বিপন্ন হয়ে পড়েছেন। এমনকি অনেক ঐতিহ্যগত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উগ্রবাদীদের আক্রমণের শিকার হয়েছে; বহু সাধক শিল্পী ও ঐতিহ্যচারী মানুষের জীবন বিপন্ন হয়েছে, এখনো হচ্ছে।

এর মধ্যেও ইতিবাচক দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে। মোবাইল টেকনোলজির সহজপ্রাপ্যতা ও বিস্তারে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের লৌকিক ঐতিহ্যের এমন অনেক দিক সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশের সুযোগ পাচ্ছে, যা আগে বৃহত্তর সমাজের মানুষের দৃষ্টির অগোচরে ছিল। একসময় যে আঞ্চলিক উৎসব, ব্রত, পালা, লোকনৃত্য, দেবদেবীর আচার, পীর-ফকিরের ওরস, মাটির শিল্প, শোভাযাত্রা, গ্রামীণ বাদ্যযন্ত্র, মৌসুমি গান বা কৃষিনির্ভর অনুষ্ঠান শুধু স্থানীয় মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত, এখন তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক পহেলা বৈশাখের পর ফেসবুকে এমন অনেক দুর্লভ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বর্ণিল রূপ দেখা গেছে, যা আগে কখনো চোখে পড়েনি বা কোনো বইপুস্তকে যার তথ্য পাওয়া যায়নি। এ যেন জনগণের নিজস্ব উদ্যোগে জনগণের সংস্কৃতির নতুন আর্কাইভ নির্মাণ।

আসলে বাংলাদেশের কৃত্যমূলক সংস্কৃতির বৈচিত্র্যের ভাণ্ডার এত বিপুল যে সংশ্লিষ্ট চর্চাকারীদের বাইরের কারও পক্ষে অনেক সময় তা জানা বা দেখা সম্ভব নয়। অনেক আচার নির্দিষ্ট তিথি, ঋতু, নক্ষত্র, কৃষিকাজ, নদীর জল, সামাজিক সংকটের সঙ্গে যুক্ত। অনেক উৎসব আবার একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন রূপে অনুষ্ঠিত হয়। কোনো একক গবেষক, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রীয় সংস্থার পক্ষে সেই সব একসঙ্গে প্রত্যক্ষ করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু সেই অসম্ভবকেই বর্তমানে সম্ভব করে তুলছে সোশ্যাল মিডিয়া। সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষ স্বপ্রণোদিত উদ্যোগে যখন নিজ জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক তৎপরতার ছবি, ভিডিও, গান, বয়ান, আচার ও স্মৃতি প্রকাশ করছেন, তখন তারা শুধু নিজের সংস্কৃতি প্রচার করছেন না; তারা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নতুন ইতিহাস নির্মাণে সহায়ক হচ্ছেন।

ভবিষ্যতে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান অগ্রগতিতে লোকায়ত সংস্কৃতির গভীর ও তাৎপর্যময় বহু অজানা ও অচেনা বিষয় আরও স্পষ্টভাবে লোকচক্ষুর সামনে উঠে আসবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল আর্কাইভ, কমিউনিটিভিত্তিক ডকুমেন্টেশন, জিও-ট্যাগিং, অনলাইন মানচিত্র, অডিও-ভিজ্যুয়াল সংরক্ষণ, ভার্চুয়াল প্রদর্শনী এবং বহুভাষিক অনুবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির পরিচয় নতুন মাত্রা পাবে। তবে এই প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ যেন শুধু বাহ্যিক প্রদর্শনে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। লোকসংস্কৃতির প্রকৃত মালিক সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়। তাদের সম্মতি, অংশগ্রহণ, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত না করে কোনো ডিজিটাল সংরক্ষণই ন্যায়সংগত হতে পারে না।

এই প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের লোকসংস্কৃতির প্রধান কাজ হবে সংরক্ষণ নয়, জীবন্ত ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। কারণ লোকসংস্কৃতি মিউজিয়ামের মৃত বস্তু নয়; এটি মানুষের দেহে, কণ্ঠে, স্মৃতিতে, বিশ্বাসে, আচার-অনুশীলনে এবং সামাজিক সম্পর্কের ভেতর বেঁচে থাকে। তাই ভবিষ্যতে লোকসংস্কৃতির উন্নয়নের জন্য শুধু রেকর্ডিং বা প্রদর্শনী যথেষ্ট নয়; দরকার প্রশিক্ষণকেন্দ্র, আখড়া রক্ষা, শিল্পীদের সামাজিক নিরাপত্তা, প্রজন্মান্তর শিক্ষা, স্থানীয় উৎসবের পৃষ্ঠপোষকতা এবং সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা।

লোকসংস্কৃতিকে শুধু পর্যটনপণ্যে পরিণত করলে তার আত্মা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আবার সঠিক পরিকল্পনায় সাংস্কৃতিক পর্যটন, ইকোট্যুরিজম এবং কমিউনিটিভিত্তিক সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালচারাল ভিলেজ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে। তবে সেই কালচারাল ভিলেজ যেন কৃত্রিম প্রদর্শনীগ্রাম না হয়ে ওঠে; বরং সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের জীবন্ত ঐতিহ্য, প্রশিক্ষণ, আচার, খাদ্য, কারুশিল্প, গান, নৃত্য, লোকজ জ্ঞান ও পরিবেশভিত্তিক জীবনপদ্ধতির সম্মানজনক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া নতুন করে লিখতে হবে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বৈচিত্র্য ও বৈভবের ইতিহাস। সেই ইতিহাস লিখতে হবে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক বা শহুরে বুদ্ধিজীবীর দৃষ্টিকোণ থেকে নয়; লিখতে হবে সাধক, শিল্পী, গুরু, কারিগর, কৃষক, মাঝি, নৃত্যশিল্পী, গায়েন, পালাকার, নারী ঐতিহ্যবাহক, আদিবাসী সম্প্রদায়, নিম্নবর্গীয় পেশাজীবী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিজস্ব কণ্ঠস্বরকে অন্তর্ভুক্ত করে। ইতিহাসের কেন্দ্রস্থলে আনতে হবে তাদের, যারা দীর্ঘকাল ইতিহাসের প্রান্তে ছিলেন।

লেখক: নাট্যকার ও গবেষক

 

    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ২১ জুন ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    জার্মানি
    ২
    আইভরি কোস্ট
    ১
    ২১ জুন ২০২৬
    রাত ৪:০০ টা
    ইকুয়েডর
    ০
    কুরাসাও
    ০
    ২১ জুন ২০২৬
    সকাল ১০:০০ টা
    তিউনিশিয়া
    ০
    জাপান
    ০
    ২১ জুন ২০২৬
    রাত ১০:০০ টা
    স্পেন
    ০
    সৌদি আরব
    ০
    কে হচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব

    কে হচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব

    ২১ জুন ২০২৬, ০৬:২৫

    হরমুজ বন্ধের ঘোষণার পরপরই লেবাননে হামলা বন্ধে নেতানিয়াহুর নির্দেশ

    হরমুজ বন্ধের ঘোষণার পরপরই লেবাননে হামলা বন্ধে নেতানিয়াহুর নির্দেশ

    ২১ জুন ২০২৬, ০০:১২

    বিশ্ব মানচিত্রে নয়া খেলোয়াড়

    বিশ্ব মানচিত্রে নয়া খেলোয়াড়

    ২১ জুন ২০২৬, ০০:৩৯

    একদিকে উদ্‌যাপন অন্যদিকে সংগীত শিক্ষায় আপত্তি

    একদিকে উদ্‌যাপন অন্যদিকে সংগীত শিক্ষায় আপত্তি

    ২১ জুন ২০২৬, ০৬:২৪

    চুক্তি মানছে না ইসরায়েল, আবার বন্ধ হরমুজ

    চুক্তি মানছে না ইসরায়েল, আবার বন্ধ হরমুজ

    ২১ জুন ২০২৬, ০৬:২২

    কামাল লোহানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে উদীচীর স্মরণসভা

    কামাল লোহানীর মৃত্যুবার্ষিকীতে উদীচীর স্মরণসভা

    ২১ জুন ২০২৬, ০১:০২

    ইবনে সিনায় চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা

    ইবনে সিনায় চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা

    ২১ জুন ২০২৬, ০৭:২৫

    আজ মালয়েশিয়া-চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    আজ মালয়েশিয়া-চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    ২১ জুন ২০২৬, ০৬:২১

    অবিশ্বাস্য কিপিংয়ে কুরাসাওয়ের প্রথম পয়েন্ট

    অবিশ্বাস্য কিপিংয়ে কুরাসাওয়ের প্রথম পয়েন্ট

    ২১ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬

    সুফিয়া কামাল স্মরণে ছায়ানটের সাংস্কৃতিক আয়োজন

    সুফিয়া কামাল স্মরণে ছায়ানটের সাংস্কৃতিক আয়োজন

    ২১ জুন ২০২৬, ০১:৪৩

    বছরের দীর্ঘতম দিন আজ, কার কী পরিকল্পনা

    বছরের দীর্ঘতম দিন আজ, কার কী পরিকল্পনা

    ২১ জুন ২০২৬, ০৮:১১

    ৫০ দিন পর বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি

    ৫০ দিন পর বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি

    ২১ জুন ২০২৬, ০২:১০

    মেঘ-বৃষ্টির লুকোচুরি, ভ্যাপসা গরম থাকবে বছরের দীর্ঘতম দিন

    মেঘ-বৃষ্টির লুকোচুরি, ভ্যাপসা গরম থাকবে বছরের দীর্ঘতম দিন

    ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৪

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২১ জুন)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২১ জুন)

    ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৩১

    হরমুজ প্রণালিতে ইরান নয়, টোল নেবে যুক্তরাষ্ট্র

    হরমুজ প্রণালিতে ইরান নয়, টোল নেবে যুক্তরাষ্ট্র

    ২১ জুন ২০২৬, ০৫:৫৯

    advertiseadvertise