Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সোশ্যাল মিডিয়া

জুলকার নাইন সায়ের

হাদির সঙ্গে কাফিকেও খুন করার নির্দেশ ছিল

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ১৯:৫০
হাদির সঙ্গে কাফিকেও খুন করার নির্দেশ ছিল

ওসমান হাদি ও নুরুজ্জামান কাফি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির সঙ্গে কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফিকেও হত্যার নির্দেশ দেয় ভারতে পলাতক জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী মাসুদুর রহমান বিপ্লব, এমন দাবি করেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান সামি। 

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িচালক রাজ্জাক মাতব্বরের ছেলে মো. রুবেল আহমেদ জবানবন্দির বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান সামি এক ফেসবুক পোস্টে এই দাবি করেন।

সামি বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িচালক রাজ্জাক মাতব্বরের ছেলে মো. রুবেল আহমেদ। গত বছরের ১৫ জানুয়ারি বহুল আলোচিত কলকাতার পার্ক হোটেলের একটি সভায় এই রুবেল ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিল। পরবর্তীতে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর আত্মগোপনে থেকে রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির তৎপরতায় সংশ্লিষ্টতার কারণে তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজানের সার্বিক নির্দেশনায় এডিসি ও এসি মোহাম্মদপুর জোন এবং ওসি মোহাম্মদপুর থানা কর্তৃক পরিচালিত এক অভিযানে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ গভীর রাতে বছিলা মেট্রো হাউজিং এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই সাংবাদিকের ভাষ্য, এই গ্রেপ্তারের পর ৩০ এপ্রিল ২০২৫ রুবেল আহমেদ সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে বের হয়। ঘটনা ইন্টারেস্টিং মোড় নেয় ২১ জানুয়ারি ২০২৬। এদিন মধ্যরাতে জামিনে থাকা রুবেল আহমেদকে রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারণ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান রাহুল ওরফে শুটার ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এই রুবেল আহমেদকে চিহ্নিত করা হয় এবং ওসমান হাদি মামলায় তাকে আসামি করা হয়।

সামির ফেসবুক পোস্টে উঠে এসেছে, এর একদিন পর ২২ জানুয়ারি ২০২৬ আদালতে রুবেলকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঁঞা। তবে আদালত ৬ দিন রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইলের খাস কামরায় রুবেল আহমেদ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন, যা এই পোস্টে সংযুক্ত করা হয়েছে।

অনুসন্ধানী এই সাংবাদিক বলছেন, জবানবন্দিতে রুবেল আহমেদ উল্লেখ করেছেন, ছাত্রনেতা ওসমান হাদি এবং ইউটিউবার কাফিকে হত্যার নির্দেশ দেয় ভারতে পলাতক জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী বিপ্লব। এবং সে লক্ষ্যে ৩ নভেম্বর ২০২৫, রুবেলের উপস্থিতিতে হত্যা মামলার অপর আসামি কামরুজ্জামান রুবেলকে ফোন করেন বিপ্লব। রুবেল জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ এবং বিভিন্ন বাজে মন্তব্যের কারণে এই দুই ব্যক্তিকে ২০/২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে সরিয়ে দিতে (হত্যা) নির্দেশ দেওয়া হয়।

ফেসবুক পোস্টে আরো বলা হয়েছে, জবানবন্দিতে রুবেল লিখেছেন— কামরুজ্জামান রুবেল ফয়সালের কাছে কিছু টাকা পান, কিন্তু সে টাকাটা ফেরত দিচ্ছে না, তাই ফয়সালকে কাজটা দিয়ে পূর্বের টাকাটা তুলতে হবে। আর ফয়সালও কাজ খুঁজছে। বিপ্লব (নানকের পিএস) কাজটা কামরুজ্জামান রুবেলকে দিয়েছে, আর সে কাজটা ফয়সালকে দিয়েছে ‘হাদি’কে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার কাজ। জবানবন্দিতে এসবের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। রুবেলের জবানবন্দিতে স্পষ্টতই বোঝা যায় যে আওয়ামী লীগ নেতা নানকের সহকারী বিপ্লবের নির্দেশে হাদি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আশা করছি ফয়সাল ও আলমগীরের মতো বিপ্লবকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফেরাতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জুলকারনাইন সায়ের বলছেন, একইসঙ্গে বিপ্লব কার আদেশে এই হত্যার হুলিয়া দেয় এবং কারা অর্থের যোগানদাতা— সেসবও তদন্তের মাধ্যমে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। রুবেল আহমেদ যদি তার জবানবন্দিতে সব সত্য তথ্য প্রদান করে থাকেন, তাহলে যা দাঁড়ায় তা হলো— তিনি ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর জানতে পারেন যে হাদি ও কাফিকে হত্যার পরিকল্পনা হচ্ছে এবং কারা তা ঘটাতে পারে। সেসব জেনেও তিনি কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে অবগত করেননি। উল্লেখ্য, এসময় রুবেল আহমেদ জামিনে মুক্ত ছিলেন।

জুলকারনাইন সায়ের তার ফেসবুক পোস্টের লিংকে ১৬৪ ধারায় দেওয়া রুবেলের জবানবন্দি, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি ও লিংক কমেন্টে দেন।

ওসমান হাদিকাফি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise