আসিফ মাহমুদের অভিযোগ
উদ্বোধনের আগেই জুলাই জাদুঘর থেকে বহু কিছু সরিয়েছে বিএনপি

এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে বহু কিছু সরিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগেরমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এ অভিযোগ করেন। সকালে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে একই অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং এনসিপির প্রধান নাহিদ ইসলামও।
আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর উদ্বোধনের পূর্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে কী কী সরানো হয়েছে তার একটি তালিকা তুলে ধরেছেন। এতে তিনি লিখেছেন, বর্ডার কিলিং রুম নামে একটি সেকশনে সীমান্ত হত্যার বিভিন্ন আলামত ও রেকর্ড সংরক্ষিত ছিল, উদ্বোধনের পূর্বে পুরো সেকশনটিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সীমান্ত হত্যার শিকার ফেলানীর ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মোদি বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সম্বলিত সেকশনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ডিজিটাল সিক্যুরিটি অ্যাক্ট (ডিএসএ) এর মাধ্যমে নিপীড়নের শিকার ভিক্টিমদের আলামত এবং ইতিহাসের সেকশনটি ছোট করে ফেলা হয়েছে।
এ ছাড়াও আরও ছোট ছোট অনেক এলিমেন্ট বাদ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির মুখপাত্র।
এদিন নাহিদ বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েই কাজ প্রায় শেষ হয়েছিল। এই সরকার এসে পাঁচ মাস পরে উদ্বোধন করেছে। নির্বাচনের পরে জাদুঘরে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে, বিশেষ করে আবু সাঈদের স্মৃতি নেই। আমরা এ ব্যাপারে এরই মধ্যে জানিয়েছি। সীমান্ত হত্যাসহ ফেলানীর কিছু স্মৃতি ছিল, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এটা ভয় থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে কি না, জানা নেই। সরিয়ে দিয়ে তারা ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। কিন্তু এখানে আপসের কিছু নেই।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ গত বুধবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর থেকেই জাদুঘরের নানা অসঙ্গতি নিয়ে সরব এনসিপির নেতারা।





