রাশেদ খান
পেছনের কাতারে নাহিদের ছবি দেখে কষ্ট পেয়েছি

সংগৃহীত ছবি
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়েছিল জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এদিন সকালে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় পেছনের কাতারে দেখা যায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে। সেই মুহূর্তের ছবি ‘কষ্ট পেয়েছেন’ বিএনপি নেতা রাশেদ খান।
‘নাহিদ ইসলাম একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের নায়ক। যদি ৫ আগস্টেই তার অধ্যায় শেষ হয়ে যেত তবে সে হত মহানায়ক। আর কখনও এমপি, মন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রী না হোক— তবুও গণঅভ্যুত্থানের নায়ক হিসেবে নাহিদ ইসলাম সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে’, ফেসবুক পোস্টে বলছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের এই প্রার্থী।
তার ভাষ্য, ‘রাজনৈতিক জীবনে তার (নাহিদ ইসলাম) ভুলভ্রান্তি নিয়ে সমালোচনা হবে। কারণ এই জীবন যুদ্ধের মত। যুদ্ধের ময়দানে আপনপক্ষের সবাই বন্ধু। বিপরীত পক্ষে নিজের রক্তের কেউ থাকলেও সেই সম্পর্ক এখানে কাজ করে না। নাহিদ ইসলাম যাদের সাথে জোটে আছে, তাদের নিয়েও একসময় সমালোচনা করেছে। সমালোচনার পরেও নির্বাচনী কৌশলগত কারণে এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামী মিত্র হিসেবে রাজনৈতিক দুনিয়ায় পরিচিত। মিত্রকে পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা না করতে পারলে সেটি স্থায়ী হয় না।’
পেছনের কাতারে দাঁড়িয়ে থাকা নাহিদের ছবি ‘মিত্রতার পরিচয় বহন করে না’ বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তার দাবি, ‘এই ছবিটা মিত্রতার পরিচয় বহন করে না। গণঅভ্যুত্থানের নায়ককে এভাবে পেছনের কাতারে দাঁড় করানো মানে গণঅভ্যুত্থানকেই অস্বীকার করার শামিল। ছবিটা দেখে অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছি। জামায়াতে ইসলামী নাহিদ ইসলামকে গণঅভ্যুত্থানের নেতা হিসেবে মানলে অন্তত এটি করতে পারত না! এটি আমি কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল বলতে চাই না!’

