Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সোশ্যাল মিডিয়া

গ্রুপজুড়ে শিবিরপন্থী পোস্ট

মৃত ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে বট আইডি!

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ১৯:১৯
মৃত ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে বট আইডি!

খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আইডিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রুপে যুক্ত হয় ১৯ জানুয়ারি ২০২৬- স্ক্রিনশট

গুপ্ত বা বট আইডি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমাজমাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত শব্দযুগল। এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে ছাত্র রাজনীতিতেও। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে বেশি দৃশ্যমান বট আইডি। গুপ্ত বা বট তকমা নিয়ে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যেও দেখা গেছে বেশ বাকবিতণ্ডা- সংঘর্ষও। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘শিক্ষার্থী সংসদ-২’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে এমনই এক ‘বট’ আইডি শনাক্ত করেছেন এডমিন-মডারেটররা। গ্রুপে যুক্ত হতে আইডিটি ব্যবহার করেছে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রয়াত এক ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর। এ নিয়ে সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় বইছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। তাদের অভিযোগ, এই বটের পেছনে আছেন শিবিরপন্থী কেউ।

পরিচয় লুকিয়ে বা ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চালানো নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ফেসবুক গ্রুপের ভুয়া বা বট আইডি নিয়ে চলে আসছে বেশ বিভ্রান্তি। অনেক শিক্ষার্থীই হচ্ছেন হয়রানির শিকার। নানা সময়ে এমন অভিযোগ আসত গ্রুপটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এডমিন-মডারেটরদের কাছেও।

তাদের কথা, ৫৬ হাজারের বেশি মানুষের গ্রুপ পরিচালনা সহজ কোনো কথা নয়। সবার মূল পরিচয় নিশ্চিত করাও হয়ে পড়ে বেশ কঠিন। এ জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে এডমিনরা সন্দেহজনক আইডির দেওয়া তথ্য যাচাই বাছাই করেন। গ্রুপের এমনই এক সন্দেহজনক আইডি ছিল খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ (Khalid Ibn Al-Walid) নামে।

গ্রুপে যুক্ত হতে গেলে পরিচয় শনাক্তের জন্য কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় শিক্ষার্থীদের। সেখানে হলের নাম, বিভাগের নাম, শিক্ষাবর্ষ ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর যুক্ত করার মতো বিষয় নির্ধারিত থাকে। খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আইডিটি তার পরিচয়ের স্থানে লিখেছিল শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ। রেজিস্ট্রেশন নম্বরের জায়গায় ঢাবির দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী আনিকা মেহেরুন্নেসা সাহিরের নম্বর ব্যবহার করেছে। ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের একটি ছাত্রীনিবাস থেকে আনিকার মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

আইডিটি নিয়ে অভিযোগ ছিল অনেক শিক্ষার্থীর

আনিকা সাহির মৃত্যুর বিষয়টি সেসময় নিশ্চিত করেছিলেন নিউ মার্কেট থানার ওসি মোহসীন উদ্দিন। তিনি বলেছিলেন, ঘটনার পর সন্দেহবাজন বুটেক্সের এক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই মৃত্যুর বিষয়ে নিউ মার্কেট থানার এসআই বিরাজ মিস্ত্রি বলেছিলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে এটি প্রেমঘটিত বিষয়ে আত্মহত্যা হতে পারে। মৃত ছাত্রীর বাম হাতে পুরোনো ক্ষতচিহ্ন রয়েছে, এটি সাধারণত প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে হতাশার কারণে হয়ে থাকে। এ ঘটনায় আমরা সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছি এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিষয়টি শনাক্ত করেন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও গ্রুপের এডমিন আনিকা তাসনিম মৈত্রী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী। আগামীর সময়ে তিনি জানান, খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ নামের আইডিটি বেশ কিছু দিন ধরেই গ্রুপে বিভিন্ন পোস্ট করে আসছিল। তার পোস্ট নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচয় শনাক্ত করতে যাই। তারপর দেখি সে প্রয়াত আনিকার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করেছে। পরে আইডিটি গ্রুপ থেকে ব্যান (নিষিদ্ধি) করা হয়েছে।

এর আগে এডমিন আনিকা গ্রুপে করা এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংসদে থেকে আজ পর্যন্ত অনেক পোস্ট দেখে ট্রমাটাইজড হয়েছি। তবে আজকের ঘটনা সমস্ত ঘটনাকে ছাড়িয়ে গেছে। অতিরিক্ত রাজনৈতিক পোস্ট করায় একজনের আইডি ভেরিফাই (নিশ্চিত) করতে গিয়ে দেখি তিনি একজন মেয়ের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ইউজ করছেন। এই পর্যন্তও মানা যায়। কিন্তু তারপর? কমেন্ট সেকশন থেকে জানলাম গত বছর সুইসাইড করেছেন এমন এক আপুর পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।’

রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি যাচাই করেছে আগামীর সময়- স্ক্রিনশটশিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে এডমিন আনিকা আরও লিখেছে, ‘পাবলিকলি কখনো কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের এগেইন্সটে (বিরুদ্ধে) বলিনি আগে। তবে শিবির নোংরামির সকল লিমিট ক্রস (সীমা অতিক্রম) করে গেছে। রাজনীতি করতে গিয়ে এথিক্স (নৈতিকতা) তো বিসর্জন দিয়েছেনই, মনুষ্যত্বটাও বিসর্জন দিয়ে দিলেন?’

‘একজন মৃত মানুষকে নিয়ে নোংরামি করতে বিবেকে একটুু বাঁধলো না আপনাদের?’ প্রশ্ন রাখেন এই শিক্ষার্থী।

খালিদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আইডির দেওয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েব সাইট থেকে যাচাই করে নিশ্চিত হয়েছে আগামীর সময়। নম্বরটি প্রয়াত শিক্ষার্থী আনিকা মেহেরুন্নেসা সাহিরই। তবে আইডিটির কাছে কীভাবে এই নম্বর এলো তা নিশ্চিত হতে পারেনি আগামীর সময়।

গ্রুপে যুক্ত হওয়ার পর আইডিটি বিভিন্ন পোস্ট করতো। কখনো উসকানিমূলক, কখনো শিবিরপন্থী। যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এটি শিবিরের বট আইডি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক গ্রুপেও এখন সমালোচনার ঝড়। তাদের প্রশ্ন, একজন মৃতের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ কীভাবে বট আইডি চালাতে পারে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়বট আইডিছাত্রশিবির
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise