ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ‘নতুন কুঁড়ি’ হিফজ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার ১৩.৫০ লাখ টাকা

সংগৃহীত ছবি
হিফজ শিক্ষার্থীদের কোরআন মুখস্থের পাশাপাশি তাজবিদের মান যাচাই ও উৎসাহিত করতে দেশব্যাপী জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। ‘নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা’ নামের এ আয়োজনের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের এপ্রিলে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম স্বাক্ষরিত রোববারের (১৮ অক্টোবর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হিফজের পরিমাণ ও বয়স বিবেচনায় ভিন্ন ভিন্ন তিনটি গ্রুপে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে। ১০ পারা হিফজ নিয়ে ‘ক’ গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে অনূর্ধ্ব ১২ বছরের শিক্ষার্থীরা। ২০ পারা হিফজের জন্য ‘খ’ গ্রুপে বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ১৫ বছর। আর পূর্ণ ৩০ পারা হিফজকারী অনূর্ধ্ব ১৮ বছরের শিক্ষার্থীরা ‘গ’ গ্রুপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। প্রতিটি গ্রুপেই তাজবিদসহ হিফজের দক্ষতা যাচাই করা হবে।
জাতীয় পর্যায়ে প্রতিটি গ্রুপের সেরা তিনজনের জন্য থাকছে উল্লেখযোগ্য অর্থপুরস্কার। প্রথম স্থান অর্জনকারী পাবেন ২ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দেড় লাখ এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী পাবেন ১ লাখ টাকা। তিন গ্রুপ মিলিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ৯ জন বিজয়ীর জন্য মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে। বিজয়ীদের পাশাপাশি ক্রেস্ট ও সনদপত্রও দেওয়া হবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হিফজ শিক্ষার্থীদের এ প্রতিযোগিতায় যুক্ত করার লক্ষ্যে নভেম্বর মাসজুড়ে নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জন্মনিবন্ধন সনদ অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করে সাদা কাগজে আবেদন করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়া যাবে সংশ্লিষ্ট ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা বা উপজেলা কার্যালয়ে।
নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। ধাপে ধাপে বাছাই শেষে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে আগামী বছরের এপ্রিলে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত হবে তিন গ্রুপের সেরা প্রতিযোগীরা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিটি গ্রুপে সর্বোচ্চ পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। ফলে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিন গ্রুপে সর্বোচ্চ ১৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।



