রফিকুল ইসলাম বাবলু
দেশ বিনির্মাণে জুলাই সনদ ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন অপরিহার্য

সংগৃহীত ছবি
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে জুলাই জাতীয় সনদ ও যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফার বাস্তবায়ন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন গণতন্ত্র মঞ্চভুক্ত ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে মাসব্যাপি কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রফিকুল ইসলাম বাবলু বললেন, ‘চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১৪শ’ শহীদের আত্মত্যাগ এবং হাজারো আহত মানুষের রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের ঐতিহাসিক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর ভিত্তি হতে হবে জুলাই জাতীয় সনদ এবং যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফা। রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, সুশাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।
সভাপতির বক্তব্যে ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব আবু ইউসুফ সেলিম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। যারা ১৯৭১ এবং ২০২৪-কে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়, তারা দেশের স্বার্থবিরোধী অপশক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নের অপচেষ্টায় লিপ্ত। জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রক্ষায় এ ধরনের অপতৎপরতা কঠোরভাবে প্রতিহত করতে হবে।
ভাসানী জনশক্তি পার্টির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন—দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, বাবুল বিশ্বাস, বিলকিস খন্দকার, মোশাররফ হোসেন, জামাল উদ্দিন জামাল, মো. মামুনুর রশিদ মামুন, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের আইসিটি বিভাগের প্রধান শওকত আরমান, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রফিক, ভাসানী যুবশক্তি পার্টির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন, ভাসানী নারীশক্তি পার্টির সদস্য সচিব সাহানা বেগম, ভাসানী সাংস্কৃতিক পার্টির আহ্বায়ক মশিউর রহমান এবং বংশাল থানা ভাসানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি ইমরুল হাসান ওয়াসিম।
আলোচনা শেষে ভাসানী জনশক্তি পার্টির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল হক দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের সুখ-শান্তি, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করা হয়।






